হিজবুত তাহরীর সন্দেহে নিরীহ ছাত্রকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে চালান
ঢাকা, ১০ জানুয়ারি: গতকাল শুক্রবার জুমআবাদ উত্তরা ৭নং সেক্টর জামে মসজিদের সামনে নামাজ শেষে হিজবুত তাহরীরের কিছু কর্মী ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা কর্তৃক তুলে নেয়ার প্রতিবাদে প্লাকার্ড প্রদর্শন করে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে। এ সময় উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ উপস্থিত হলে হিজবুত কর্মীরা পালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ সেখান থেকে কয়েকজন মুসল্লীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়।
আটকের খবর পরিবারের সদস্যদের কাছে গেলে আটক সাদ ইবনে মাহবুব এর পিতা ও পরিবারের সদস্যরা উত্তরা পশ্চিম থানায় গেলে পরিবারের সদস্যরা অপেক্ষা করে রাতে উওরা পশ্চিম থানার ওসি কাজী রফিকুল ইসলামের সাথে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পান। তখন পরিবারের সদস্যরা সাদ ইবনে মাহবুব হিজবুত তাহরীরের সাথে জড়িত নয় এবং সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত মেধাবী ছাত্র, এমনকি উত্তরায় জুলাই বিপ্লবে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিলো বললেও পুলিশ পিছন দিক থেকে তোলা আকাশী নীল পান্জাবী পরা ছবি দেখায়। তখন পরিবারের সদস্যরা এই ছবির ছেলে সাদের নয় এবং তার গায়ে শার্ট আছে, পান্জাবী নয়। এমনকি তার চুলের কাটিংও মিল নেই আর আটক করে যেহেতু তারা সরাসরি থানায় তাদেরই জিম্মায় রয়েছে সুতরাং তার পোশাক পরিবর্তন করার সুযোগও ছিলো না। বিষয়টি প্রমাণ করতে না পারলেও ওসি বলেন তার জড়িত থাকা প্রমাণ না হলে সে ছাড়া পাবে। উপরের আদেশে তাকে মামলা দিয়ে কোর্টে চালান দিয়ে পাঠাচ্ছি, আপনারা আইনজীবী দিয়ে তার জামিনের ব্যবস্থা করেন। তদন্তে নির্দোষ হলে তখন তার পক্ষে যাবে, আমাদের কিছু করার নাই। মামলা নং -১৫ তারিখ – ৯/১/২৬ উত্তরা পশ্চিম থানা।
সংবাদটি জুলাই যোদ্ধাদের কাছে পৌঁছলে আজাদুর রহমান আকাশ উওরা পশ্চিম থানা, ডিসি উত্তরায় সাদের জুলাই বিপ্লবে তার ভূমিকা তুলে ধরে তাকে প্রমাণ ছাড়া আটক না করতে অনুরোধ করেন।
কিন্তু এত কিছুর পরেও পুলিশ উপরের নির্দেশের কথা বলে তাকে জঙ্গি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরন করে। বিষয়টি নিয়ে উত্তরায় জুলাই বিপ্লবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে।



















