1. 0shamimreza@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  2. dhakasangbad22@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  3. didar3639@gmail.com : Didarul Alam : Didarul Alam
  4. mdjubaerhossen614@gmail.com : নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোর জেলা প্রতিনিধি
  5. jannataraf10@gmail.com : Umme jannat : Umme jannat
  6. mdsahariyaridoy0@gmail.com : দৈনিক ঢাকা সংবাদ : দৈনিক ঢাকা সংবাদ
০৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বাগাতিপাড়ায় নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মডার্ন ট্রেডে শক্ত অবস্থান তৈরি করছে রিমার্ক বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মেজর মান্নানের জন্মদিন পালন ফাগুয়ারদিয়াড় উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন মোঃ মোশারফ হোসেন বাগাতিপাড়ায় সাপের কামড়ে ভ্যান চালকের মৃত্যু বাগাতিপাড়ায় মাছের পোনা অবমুক্তকরন ও চেক বিতরণ করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী পুতুল বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী পুতুল লক্ষীপুর জেলার ৫ নং হাজীরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলোচনায় ইয়ামিন মুন্না বাগাতিপাড়ায় ৫৩তম জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এ্যালকো-ক্যামব্রিয়ান মেধাবৃত্তি পরীক্ষা শুরু, ৫ হাজার শিক্ষার্থীর নিবন্ধন

আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সদস্য ও নব্য বিএনপির দাবিদার ফয়জুল হাসান বাদল মুন্সী ও জাকির হোসেন মুন্সীর বিরুদ্ধে অধিকতর  তদন্তের জন্য বাদীর নারাজি

ঢাকা সংবাদ এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক:   মব জাস্টিস’ এর সাথে যুক্ত থাকা নড়িয়া থানার আলোচিত মামলার আসামী আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সদস্য ,নওপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য  জাকির হোসেন মুন্সী ও তার বড় ভাই ফয়জুল হাসান বাদল মুন্সীর বিরুদ্ধে অধিকতর  তদন্তের জন্য বাদীর নারাজী।

আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই ) শরীয়তপুর বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী মো. ফাহিম জমাদার নারাজী দাখিল করেন। ফাহিম জমাদার বলেন- মামলায়  প্রভাবশালী আসামিদের প্রভাবের কারণে তদন্তকে প্রকৃত ঘটনা থেকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, থানায় দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তবে ওই প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে বাদী আদালতে নারাজি দাখিল করার পর আদালত অধিকতর তদন্তের জন্য ডিবিকে দেওয়া হয় কিন্তু ডিবি পৃর্বের স্বাক্ষীবাদ দিয়ে তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণভাবে নিজের মনোনীত সাক্ষী তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে। বাদীপক্ষের দাবি, তদন্তের সময় প্রকৃত ঘটনা, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত যথাযথভাবে বিবেচনা না করে এমন ব্যক্তিদের সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাদের বক্তব্য বাস্তব ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এর ফলে মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের পরিবর্তে তদন্তকে ভিন্নদিকে পরিচালিত করার চেষ্টা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

বাদীপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এমন একাধিক ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের বক্তব্য যথাযথভাবে রেকর্ড করা হয়নি। বরং তদন্ত কর্মকর্তা এমন ব্যক্তিদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন, যাদের ঘটনাটি সম্পর্কে প্রত্যক্ষ জ্ঞান বা উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এতে তদন্তের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত, তথ্য ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি যথাযথভাবে মূল্যায়ন না করে তদন্ত প্রতিবেদনে এমন কিছু বিষয় সংযোজন করা হয়েছে, যা বাদীপক্ষের মতে প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের তদন্তের ফলে প্রকৃত দোষীরা আইনের আওতার বাইরে থেকে যেতে পারে এবং নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার হতে পারেন।

বাদীপক্ষ আরও অভিযোগ করেন, তদন্ত চলাকালে তারা একাধিকবার প্রকৃত সাক্ষীদের বক্তব্য গ্রহণ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানালেও তা গুরুত্ব পায়নি। বরং তদন্তের বিভিন্ন ধাপে এমন কার্যক্রম দেখা গেছে, যা মামলার মূল বিষয় থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা বলে তাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে তারা মামলার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি তারা তদন্তকারী কর্মকর্তার ভূমিকা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে অধিকতর তদন্ত বা অন্য কোনো নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে পুনঃতদন্তের দাবি জানান।

বাদীপক্ষের মতে, একটি ফৌজদারি মামলায় সঠিক তদন্তই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি। তাই প্রকৃত সাক্ষী, নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ এবং ঘটনার বাস্তব চিত্র যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে তদন্ত সম্পন্ন করা জরুরি। অন্যথায় বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি জনগণের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার প্রতি আস্থাও ক্ষুণ্ন হতে পারে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১১:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬ ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সদস্য ও নব্য বিএনপির দাবিদার ফয়জুল হাসান বাদল মুন্সী ও জাকির হোসেন মুন্সীর বিরুদ্ধে অধিকতর  তদন্তের জন্য বাদীর নারাজি

আপডেট সময় : ১১:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:   মব জাস্টিস’ এর সাথে যুক্ত থাকা নড়িয়া থানার আলোচিত মামলার আসামী আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সদস্য ,নওপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য  জাকির হোসেন মুন্সী ও তার বড় ভাই ফয়জুল হাসান বাদল মুন্সীর বিরুদ্ধে অধিকতর  তদন্তের জন্য বাদীর নারাজী।

আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই ) শরীয়তপুর বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী মো. ফাহিম জমাদার নারাজী দাখিল করেন। ফাহিম জমাদার বলেন- মামলায়  প্রভাবশালী আসামিদের প্রভাবের কারণে তদন্তকে প্রকৃত ঘটনা থেকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, থানায় দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তবে ওই প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে বাদী আদালতে নারাজি দাখিল করার পর আদালত অধিকতর তদন্তের জন্য ডিবিকে দেওয়া হয় কিন্তু ডিবি পৃর্বের স্বাক্ষীবাদ দিয়ে তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণভাবে নিজের মনোনীত সাক্ষী তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে। বাদীপক্ষের দাবি, তদন্তের সময় প্রকৃত ঘটনা, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত যথাযথভাবে বিবেচনা না করে এমন ব্যক্তিদের সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাদের বক্তব্য বাস্তব ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এর ফলে মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের পরিবর্তে তদন্তকে ভিন্নদিকে পরিচালিত করার চেষ্টা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

বাদীপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এমন একাধিক ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের বক্তব্য যথাযথভাবে রেকর্ড করা হয়নি। বরং তদন্ত কর্মকর্তা এমন ব্যক্তিদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন, যাদের ঘটনাটি সম্পর্কে প্রত্যক্ষ জ্ঞান বা উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এতে তদন্তের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত, তথ্য ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি যথাযথভাবে মূল্যায়ন না করে তদন্ত প্রতিবেদনে এমন কিছু বিষয় সংযোজন করা হয়েছে, যা বাদীপক্ষের মতে প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের তদন্তের ফলে প্রকৃত দোষীরা আইনের আওতার বাইরে থেকে যেতে পারে এবং নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার হতে পারেন।

বাদীপক্ষ আরও অভিযোগ করেন, তদন্ত চলাকালে তারা একাধিকবার প্রকৃত সাক্ষীদের বক্তব্য গ্রহণ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানালেও তা গুরুত্ব পায়নি। বরং তদন্তের বিভিন্ন ধাপে এমন কার্যক্রম দেখা গেছে, যা মামলার মূল বিষয় থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা বলে তাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে তারা মামলার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি তারা তদন্তকারী কর্মকর্তার ভূমিকা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে অধিকতর তদন্ত বা অন্য কোনো নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে পুনঃতদন্তের দাবি জানান।

বাদীপক্ষের মতে, একটি ফৌজদারি মামলায় সঠিক তদন্তই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি। তাই প্রকৃত সাক্ষী, নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ এবং ঘটনার বাস্তব চিত্র যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে তদন্ত সম্পন্ন করা জরুরি। অন্যথায় বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি জনগণের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার প্রতি আস্থাও ক্ষুণ্ন হতে পারে।