1. 0shamimreza@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  2. dhakasangbad22@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  3. didar3639@gmail.com : Didarul Alam : Didarul Alam
  4. mdjubaerhossen614@gmail.com : নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোর জেলা প্রতিনিধি
  5. jannataraf10@gmail.com : Umme jannat : Umme jannat
  6. mdsahariyaridoy0@gmail.com : দৈনিক ঢাকা সংবাদ : দৈনিক ঢাকা সংবাদ
১২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জমি সংক্রান্ত আইনগত বিজ্ঞপ্তি মেধাবী ফাতেমার চীনে মেডিকেল পড়ার স্বপ্ন পূরণে প্রধানমন্ত্রী ৫ লাখ টাকার অনুদান নিজ হাতে তুলে দিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে মেজর মান্নানের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন রাষ্ট্রপতির শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নাটোরে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ ঘিরে প্রশ্ন-ডিসি-ইউএনও প্রত্যাহার প্রিয় রাসুল (সা:) -লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদের অভিনন্দন ‘ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআই’র চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআই’র

বাগাতিপাড়ায় আধা ঘন্টা ব্যবধানে স্বামী- স্ত্রী মৃত্যু

ঢাকা সংবাদ এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফজলুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধি: নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় অসুস্থতাজনিত কারণে এক ব্যক্তির মৃত্যুর প্রায় আধা ঘণ্টার ব্যবধানে শোকে তার স্ত্রীরও মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের বাটিকামারি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলেন স্থানীয় মুদিদোকান ব্যবসায়ী হায়দার আলী (৭০) ও তার স্ত্রী রহিমা বেগম।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হায়দার আলী নিজ দোকানে অবস্থানকালে হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় দোকান বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে তার অবস্থার অবনতি হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মারা যান।

পরে স্বজনরা তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেলে স্ত্রী রহিমা বেগম স্বামীর মরদেহ দেখে গভীর শোকে মূর্ছা যান। স্বামীর মৃত্যু সংবাদ সহ্য করতে না পেরে প্রায় আধা ঘণ্টার মধ্যেই তিনিও মৃত্যুবরণ করেন।

মৃত হায়দার আলীর শ্যালক মাওলানা আশরাফুল আলম জানান, প্রায় তিন বছর আগে হায়দার আলী ও রহিমা বেগমের একমাত্র ছেলে জুয়েল স্ট্রোক করে মারা যান। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে যান। ছেলের মৃত্যুর পর বৃদ্ধ দম্পতি গভীর মানসিক কষ্টে ছিলেন। সংসারের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম ছিল হায়দার আলীর মুদিদোকান। পরে পুত্রবধূ দোকান পরিচালনায় সহযোগিতা করতেন।

তিনি আরও জানান, ছেলের মৃত্যুর পর থেকেই হায়দার আলী হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। বৃহস্পতিবার বিকেলে অসুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পথে তিনি মারা যান। এ খবর শুনে রহিমা বেগম স্বামী হারানোর শোক সহ্য করতে না পেরে অল্প সময়ের মধ্যেই মারা যান।

স্বজনদের ভাষ্য, বর্তমানে পরিবারটিতে উপার্জনক্ষম কেউ নেই। মৃত দম্পতির পুত্রবধূ ও তার দুই ছোট সন্তানকে নিয়েই এখন পরিবারটি অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ৩২৮ বার পড়া হয়েছে

বাগাতিপাড়ায় আধা ঘন্টা ব্যবধানে স্বামী- স্ত্রী মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

ফজলুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধি: নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় অসুস্থতাজনিত কারণে এক ব্যক্তির মৃত্যুর প্রায় আধা ঘণ্টার ব্যবধানে শোকে তার স্ত্রীরও মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের বাটিকামারি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলেন স্থানীয় মুদিদোকান ব্যবসায়ী হায়দার আলী (৭০) ও তার স্ত্রী রহিমা বেগম।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হায়দার আলী নিজ দোকানে অবস্থানকালে হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় দোকান বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে তার অবস্থার অবনতি হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মারা যান।

পরে স্বজনরা তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেলে স্ত্রী রহিমা বেগম স্বামীর মরদেহ দেখে গভীর শোকে মূর্ছা যান। স্বামীর মৃত্যু সংবাদ সহ্য করতে না পেরে প্রায় আধা ঘণ্টার মধ্যেই তিনিও মৃত্যুবরণ করেন।

মৃত হায়দার আলীর শ্যালক মাওলানা আশরাফুল আলম জানান, প্রায় তিন বছর আগে হায়দার আলী ও রহিমা বেগমের একমাত্র ছেলে জুয়েল স্ট্রোক করে মারা যান। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে যান। ছেলের মৃত্যুর পর বৃদ্ধ দম্পতি গভীর মানসিক কষ্টে ছিলেন। সংসারের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম ছিল হায়দার আলীর মুদিদোকান। পরে পুত্রবধূ দোকান পরিচালনায় সহযোগিতা করতেন।

তিনি আরও জানান, ছেলের মৃত্যুর পর থেকেই হায়দার আলী হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। বৃহস্পতিবার বিকেলে অসুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পথে তিনি মারা যান। এ খবর শুনে রহিমা বেগম স্বামী হারানোর শোক সহ্য করতে না পেরে অল্প সময়ের মধ্যেই মারা যান।

স্বজনদের ভাষ্য, বর্তমানে পরিবারটিতে উপার্জনক্ষম কেউ নেই। মৃত দম্পতির পুত্রবধূ ও তার দুই ছোট সন্তানকে নিয়েই এখন পরিবারটি অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।