1. 0shamimreza@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  2. dhakasangbad22@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  3. didar3639@gmail.com : Didarul Alam : Didarul Alam
  4. mdjubaerhossen614@gmail.com : নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোর জেলা প্রতিনিধি
  5. jannataraf10@gmail.com : Umme jannat : Umme jannat
  6. mdsahariyaridoy0@gmail.com : দৈনিক ঢাকা সংবাদ : দৈনিক ঢাকা সংবাদ
১১:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জমি সংক্রান্ত আইনগত বিজ্ঞপ্তি মেধাবী ফাতেমার চীনে মেডিকেল পড়ার স্বপ্ন পূরণে প্রধানমন্ত্রী ৫ লাখ টাকার অনুদান নিজ হাতে তুলে দিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে মেজর মান্নানের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন রাষ্ট্রপতির শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নাটোরে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ ঘিরে প্রশ্ন-ডিসি-ইউএনও প্রত্যাহার প্রিয় রাসুল (সা:) -লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদের অভিনন্দন ‘ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআই’র চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআই’র

বাগাতিপাড়ায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

ঢাকা সংবাদ এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফজলুর রহমান,নিজস্ব সংবাদদাতাঃ”জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান – টেকসই উদ্যোগে করি বেগবান”এই স্লোগানে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৬ আগষ্ট রোজ বুধবার বেলা সাড়ে ১০ ঘটিকায় দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য গাঁথা হলরুমে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বাস্তবায়নে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত মোঃ রেজওয়ানুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশীষ বসাক।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, গাইনি বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক (ইনসিটু) ডাঃ মাহবুবা জান্নাত, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরিন আখতার, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আলী আশরাফ, একাডেমিক সুপারভাইজার সালাউদ্দিন ডলার,সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার,নার্সিং সুপারভাইজার হাবিবা খাতুন, নার্সিং ইনচার্জ সুফিয়া খাতুন, ইপিআই ইনচার্জ কবিতা খানম, মিড ওয়াইফ আকলিমা খাতুন, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আব্দুল লতিফ, হেলথ ইন্সপেক্টর গোলাম মোস্তফা, এমটি ইপিআই দানিউল ইসলাম, ইপিক বাংলাদেশ প্রতিনিধি, সচেতন নাগরিক প্রতিনিধি ও স্থানীয় সাংবাদিকগন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শিশুর জন্য মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নেই, মায়ের দুধের মধ্যে শিশুর পরিপূর্ণ পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় সব উপাদানই বিদ্যমান, শিশুজন্মের ১ ঘণ্টার মধ্যে মায়ের দুধ খাওয়ালে মৃত্যুর হার শতকরা ৩১ ভাগ কমে যায়।আর ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধ খাওয়ালে (এক ফোঁটা পানিও না) শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি আরও ১৩ শতাংশ কমে যায়,শিশুর প্রথম খাবার হিসেবে শালদুধ গ্রহণ অপরিহার্য, এটি শিশুর প্রথম টিকা হিসেবে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুর দেহের বৃদ্ধি ও মেধা বিকাশের সব উপাদান মায়ের দুধে বিদ্যমান।

আলোচকরা আরো বলেন, কৌটাদুধ খেলে শিশুর মৃত্যুঝুঁকি, ডায়রিয়া ১০ গুণ ও নিউমোনিয়া প্রায় ১৫ গুণ বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া পরিপাকতন্ত্রের সংক্রমণ, বুদ্ধি বিকাশে বাধা, শৈশবকালীন ক্যানসার ও পরবর্তী হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যানসারের মতো মারাত্মক রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। তাই শিশুর জন্য মাতৃদুগ্ধের বিকল্প নেই। মায়ের বুকে শিশু লেগে থাকা ৪টি মূল তথ্য হলো শিশুর মুখ বড় করে হাঁ করতে হবে। শিশুর থুতনি মায়ের স্তনে লেগে থাকবে। নিচের ঠোঁট বাইরের দিকে উল্টানো থাকবে। স্তনের চারপাশের অধিকাংশ কালো অংশ শিশুর মুখের ভেতর থাকবে। ছয় মাস পর মায়ের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার দেওয়া শুরু করতে হবে। পর্যাপ্ত মাতৃদুগ্ধ দানের ওপর জীবনব্যাপী প্রভাবের সঙ্গে সব ধরনের অপুষ্টি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। মাতৃদুগ্ধ দানকারী মায়েদের সহায়তার জন্য সব জায়গায় সাহায্যকারী পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

এছাড়াও মায়ের দুধের বিকল্প হিসেবে শিশুদের জন্য কৌটা বা প্যাকেটজাত গুঁড়ো দুধ, অন্যান্য খাদ্য ও সরঞ্জামাদির প্রলুব্ধকর বিজ্ঞাপন বা প্রচারের ক্ষেত্রে আইনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে । ২০১৩ সালের এ সংক্রান্ত আইনে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, প্যাকেট ও কৌটাজাত পণ্যের গায়ে লেখা থাকতে হবে ‘শিশুর জন্য মায়ের দুধের সমতুল্য বা শ্রেষ্ঠতর কোনও খাদ্য নেই।’ আরও লেখা থাকতে হবে ‘এই (কৌটা/প্যাকেট) খাদ্য সম্পূর্ণ রোগজীবাণুমুক্ত নয়। এটা খেলে শিশুর অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি আছে।’ বিকল্প শিশুখাদ্য বিপণন ও ক্রয়ের ক্ষেত্রেও রয়েছে নির্দেশনাগুলো আলোচনা সভায় উঠে আসে।

সপ্তাহ ব্যাপী অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য বাস্তবায়িত প্রোগ্রামগুলো হলো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বাগাতিপাড়া তে নার্স ও মিড ওয়াইফ দের মাধ্যমে এবং বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকে গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের কাউন্সেলিং ক্যাম্প ও কর্মজীবী মায়েদের গেলে রাখা দুধ সংরক্ষণ ও খাওয়ানোর পদ্ধতি বিষয়ক আলোচনা, মা ও শিশু পুষ্টি বিষয়ক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, স্কুল ও কলেজ ভিত্তিক মাতৃদুগ্ধ বিষয়ক সচেতনতা ক্যাম্প, সংশ্লিষ্ট কমিউনিটিতে নেতৃস্থানীয় ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, পরিবারের অভিভাবক এবং ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিতিতে সচেতনতা কার্যক্রম, মাতৃদুগ্ধ বিকল্প আইন অনুযায়ী মাতৃদুগ্ধ বিকল্প শিশুখাদ্য নিয়ন্ত্রণ, বাজার মনিটরিং ও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও বিজয়দের পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

বাগাতিপাড়ায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

ফজলুর রহমান,নিজস্ব সংবাদদাতাঃ”জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান – টেকসই উদ্যোগে করি বেগবান”এই স্লোগানে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৬ আগষ্ট রোজ বুধবার বেলা সাড়ে ১০ ঘটিকায় দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য গাঁথা হলরুমে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বাস্তবায়নে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত মোঃ রেজওয়ানুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশীষ বসাক।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, গাইনি বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক (ইনসিটু) ডাঃ মাহবুবা জান্নাত, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরিন আখতার, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আলী আশরাফ, একাডেমিক সুপারভাইজার সালাউদ্দিন ডলার,সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার,নার্সিং সুপারভাইজার হাবিবা খাতুন, নার্সিং ইনচার্জ সুফিয়া খাতুন, ইপিআই ইনচার্জ কবিতা খানম, মিড ওয়াইফ আকলিমা খাতুন, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আব্দুল লতিফ, হেলথ ইন্সপেক্টর গোলাম মোস্তফা, এমটি ইপিআই দানিউল ইসলাম, ইপিক বাংলাদেশ প্রতিনিধি, সচেতন নাগরিক প্রতিনিধি ও স্থানীয় সাংবাদিকগন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শিশুর জন্য মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নেই, মায়ের দুধের মধ্যে শিশুর পরিপূর্ণ পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় সব উপাদানই বিদ্যমান, শিশুজন্মের ১ ঘণ্টার মধ্যে মায়ের দুধ খাওয়ালে মৃত্যুর হার শতকরা ৩১ ভাগ কমে যায়।আর ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধ খাওয়ালে (এক ফোঁটা পানিও না) শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি আরও ১৩ শতাংশ কমে যায়,শিশুর প্রথম খাবার হিসেবে শালদুধ গ্রহণ অপরিহার্য, এটি শিশুর প্রথম টিকা হিসেবে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুর দেহের বৃদ্ধি ও মেধা বিকাশের সব উপাদান মায়ের দুধে বিদ্যমান।

আলোচকরা আরো বলেন, কৌটাদুধ খেলে শিশুর মৃত্যুঝুঁকি, ডায়রিয়া ১০ গুণ ও নিউমোনিয়া প্রায় ১৫ গুণ বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া পরিপাকতন্ত্রের সংক্রমণ, বুদ্ধি বিকাশে বাধা, শৈশবকালীন ক্যানসার ও পরবর্তী হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যানসারের মতো মারাত্মক রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। তাই শিশুর জন্য মাতৃদুগ্ধের বিকল্প নেই। মায়ের বুকে শিশু লেগে থাকা ৪টি মূল তথ্য হলো শিশুর মুখ বড় করে হাঁ করতে হবে। শিশুর থুতনি মায়ের স্তনে লেগে থাকবে। নিচের ঠোঁট বাইরের দিকে উল্টানো থাকবে। স্তনের চারপাশের অধিকাংশ কালো অংশ শিশুর মুখের ভেতর থাকবে। ছয় মাস পর মায়ের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার দেওয়া শুরু করতে হবে। পর্যাপ্ত মাতৃদুগ্ধ দানের ওপর জীবনব্যাপী প্রভাবের সঙ্গে সব ধরনের অপুষ্টি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। মাতৃদুগ্ধ দানকারী মায়েদের সহায়তার জন্য সব জায়গায় সাহায্যকারী পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

এছাড়াও মায়ের দুধের বিকল্প হিসেবে শিশুদের জন্য কৌটা বা প্যাকেটজাত গুঁড়ো দুধ, অন্যান্য খাদ্য ও সরঞ্জামাদির প্রলুব্ধকর বিজ্ঞাপন বা প্রচারের ক্ষেত্রে আইনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে । ২০১৩ সালের এ সংক্রান্ত আইনে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, প্যাকেট ও কৌটাজাত পণ্যের গায়ে লেখা থাকতে হবে ‘শিশুর জন্য মায়ের দুধের সমতুল্য বা শ্রেষ্ঠতর কোনও খাদ্য নেই।’ আরও লেখা থাকতে হবে ‘এই (কৌটা/প্যাকেট) খাদ্য সম্পূর্ণ রোগজীবাণুমুক্ত নয়। এটা খেলে শিশুর অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি আছে।’ বিকল্প শিশুখাদ্য বিপণন ও ক্রয়ের ক্ষেত্রেও রয়েছে নির্দেশনাগুলো আলোচনা সভায় উঠে আসে।

সপ্তাহ ব্যাপী অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য বাস্তবায়িত প্রোগ্রামগুলো হলো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বাগাতিপাড়া তে নার্স ও মিড ওয়াইফ দের মাধ্যমে এবং বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকে গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের কাউন্সেলিং ক্যাম্প ও কর্মজীবী মায়েদের গেলে রাখা দুধ সংরক্ষণ ও খাওয়ানোর পদ্ধতি বিষয়ক আলোচনা, মা ও শিশু পুষ্টি বিষয়ক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, স্কুল ও কলেজ ভিত্তিক মাতৃদুগ্ধ বিষয়ক সচেতনতা ক্যাম্প, সংশ্লিষ্ট কমিউনিটিতে নেতৃস্থানীয় ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, পরিবারের অভিভাবক এবং ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিতিতে সচেতনতা কার্যক্রম, মাতৃদুগ্ধ বিকল্প আইন অনুযায়ী মাতৃদুগ্ধ বিকল্প শিশুখাদ্য নিয়ন্ত্রণ, বাজার মনিটরিং ও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও বিজয়দের পুরস্কার বিতরণ করা হয়।