1. 0shamimreza@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  2. dhakasangbad22@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  3. didar3639@gmail.com : Didarul Alam : Didarul Alam
  4. mdjubaerhossen614@gmail.com : নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোর জেলা প্রতিনিধি
  5. jannataraf10@gmail.com : Umme jannat : Umme jannat
  6. mdsahariyaridoy0@gmail.com : দৈনিক ঢাকা সংবাদ : দৈনিক ঢাকা সংবাদ
১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জমি সংক্রান্ত আইনগত বিজ্ঞপ্তি মেধাবী ফাতেমার চীনে মেডিকেল পড়ার স্বপ্ন পূরণে প্রধানমন্ত্রী ৫ লাখ টাকার অনুদান নিজ হাতে তুলে দিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে মেজর মান্নানের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন রাষ্ট্রপতির শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নাটোরে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ ঘিরে প্রশ্ন-ডিসি-ইউএনও প্রত্যাহার প্রিয় রাসুল (সা:) -লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদের অভিনন্দন ‘ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআই’র চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআই’র

জাহিলিয়্যাতের শাসন ছেড়ে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব কায়েমের আহ্বান: ৩ মাসের কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী সমাজের

ঢাকা সংবাদ এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থাই ইসলাম বিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে রচিত সকল প্রকার সংবিধান আলকুরআন বিরোধী সংবিধান। আলকুরআন বিরোধী গণতান্ত্রিক সংবিধান মেনে চলার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ জাহিলিয়্যাতের অধীনে বন্দি হয়ে আছে। অর্থাৎ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় দেশ ও জাতির মানুষ-(১) মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্বের অধীনে বন্দি, (২) মানুষের মনগড়া আইন-বিধানে রচিত সংবিধানের আনুগত্যের অধীনে বন্দি এবং (৩) মানুষের মনগড়া আইন-বিধানে রচিত সংবিধানের ভিত্তিতে নেতৃত্বদানকারী নেতা বা সরকারের আনুগত্যের অধীনে বন্দি হয়ে আছে- এসবই কুফর এবং শির্ক-ক্ষমার অযোগ্য মহা অপরাধ- সমাজ ও রাষ্ট্রের মৌলিক সমস্যা। তিনি বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত এই ৩টি মৌলিক সমস্যার সমাধান না হলে কোন সমস্যারই সমাধান হবে না, হচ্ছে না। কুফর এবং শিরকের পরিণতি দুনিয়ায় মানুষের জীবনে অকল্যাণ, অশান্তি এবং আখিরাতের জীবনে নিশ্চিত ঠিকানা হবে জাহান্নাম, যা মহাক্ষতি।
‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সহকারী দায়িত্বশীল জনাব আবু জাফর মোহাম্মাদ সালেহ’র সঞ্চালনায় আজ ৮ আগস্ট ২০২৬ইং, শনিবার, সকাল ১১টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে “সমাজ ও রাষ্ট্রের মৌলিক সমস্যা সমূহ এবং তা সমাধানের উপায়” বিষয়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ইসলামী সমাজের আমীর বলেন, দুনিয়ার জীবনে কল্যাণ, শান্তি এবং আখিরাতের জীবনে জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেয়ে জান্নাত লাভ করতে হলে সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্ব, মানুষের মনগড়া আইন-বিধানে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের আনুগত্য এবং মানুষের মনগড়া আইন-বিধানে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের ভিত্তিতে নেতৃত্বদানকারী নেতা বা সরকারের আনুগত্য ত্যাগ করে জীবনের সকল ক্ষেত্রে একমাত্র আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন কর্তৃত্ব গ্রহণ করে রাব্বুনাল্লাহ্ বা আল্লাহু আকবার ঘোষণা করতে হবে এবং তাঁরই প্রদত্ত আইন-বিধানের আনুগত্য এবং তাঁরই মনোনীত সর্বশেষ নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর শর্তহীন আনুগত্য-অনুসরণ ও অনুকরণ গ্রহণ করে, সাক্ষ্য ও অঙ্গীকার করতে হবে আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ- এই বিষয়গুলোর উপরে দৃঢ় থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠায় রাসূল (সা:) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে আল্লাহরই সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে তাঁরই আইন-বিধানের প্রতিনিধিত্বকারী আমীরের নেতৃত্বের আনুগত্যের অধীনে থেকে সত্য দ্বীন ইসলামের তাবলীগ ও দাওয়াত দিতে থাকতে হবে।
সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার দাওয়াতি আন্দোলনে সকল প্রকার বিরোধীতার মুকাবিলার দায়িত্ব আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়ে ছবর ও ক্ষমার নীতিতে অটল থেকে সালাতের মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সাহায্য প্রার্থনা করতে থাকতে হবে এবং কুরআন ও সুন্নাহর জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে ঈমান, আকিদা, চরিত্র ও আমল পরিশুদ্ধ করতে হবে। তাহলে আল্লাহর ক্ষমা ও জান্নাত লাভ হবে এবং আল্লাহ’ই অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে ঈমানের সর্বোচ্চ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ঈমানদারগণকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে খিলাফত-রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব দান করবেন। এভাবে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব লাভহলেই রাসূল (সা:) এর অনুসরণ ও অনুকরণে পর্যায়ক্রমে ইসলামের আইন-বিধান চালু করতে হবে। এটাই ইসলাম প্রতিষ্ঠার কুরআন ও সুন্নাহ সম্মত একমাত্র পদ্ধতি। জাহিলিয়্যাত ত্যাগ করে জীবনের সকল ক্ষেত্রে ইসলাম গ্রহণ করে এ পদ্ধতিতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত প্রচেষ্টাই কল্যাণ ও মুক্তির একমাত্র পথ এবং এ পদ্ধতিতে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে। তিনি বলেন, আলকুরআন ও সুন্নাহ্ সম্মত পদ্ধতিতেই ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্তরীক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামী সমাজ। ‘ইসলামী সমাজ’ মূলত কল্যাণ ও মুক্তির পথে জীবন গড়ারই আদর্শবাদী প্রতিষ্ঠান এবং আন্দোলন। দলমত নির্বিশেষে সকলকে তিনি ইসলামী সমাজে শামিল হওয়ার আন্তরীক আহ্বান জানান।
জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং, ৩ মাসের জন্য ইসলামী সমাজ গৃহিত ৩ দফা কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, (১) দেশব্যাপী গণসংযোগ, পথসভা ও প্রচার পত্র বিলি চলছে, চলতে থাকবে। (২) ২১ আগস্ট, শুক্রবার- চট্টগ্রাম মহানগর, ৩১ আগস্ট, সোমবার- বগুড়া মহানগর, ৪ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার- আলমডাঙ্গা থানা শহর, চুয়াডাঙ্গা, ৫ সেেেপ্টম্বর, শনিবার- গাজীপুর মহানগর, ১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার- ময়মনসিংহ মহানগর, ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার- বিমানবন্দর, ঢাকা মহানগর উত্তর, ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার- মিরপুর, ঢাকা মহানগর উত্তর, ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার- শেরপুর জেলা শহরে- সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐক্য গঠনের লক্ষ্যে- উপরে বর্ণিত এলাক সমূহে সমাবেশ হবে এবং (৩) গাজীপুর মহানগর রাজবাড়ী মাঠ থেকে কুমিল্লা মহানগরের চকবাজর পর্যন্ত ২২ আগস্ট থেকে ২৬ আগস্ট এবং ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই ধাপে ‘ইসলামী সমাজ’ গঠিত ৫টি টিম গণসংযোগ, পথসভা ও প্রচার পত্র বিলি করবে ইনশাআল্লাহ। কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার, প্রশাসন এবং দেশবাসী সকলের সমর্থন ও সহযোগীতা তিনি প্রত্যাশা করেন।
মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-১ এর দায়িত্বশীল, মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা ও ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইয়াছিন সাহেব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ৭৭ বার পড়া হয়েছে

জাহিলিয়্যাতের শাসন ছেড়ে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব কায়েমের আহ্বান: ৩ মাসের কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী সমাজের

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থাই ইসলাম বিরোধী মতবাদ তথা জাহিলিয়্যাত। মানব রচিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে রচিত সকল প্রকার সংবিধান আলকুরআন বিরোধী সংবিধান। আলকুরআন বিরোধী গণতান্ত্রিক সংবিধান মেনে চলার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ জাহিলিয়্যাতের অধীনে বন্দি হয়ে আছে। অর্থাৎ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় দেশ ও জাতির মানুষ-(১) মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্বের অধীনে বন্দি, (২) মানুষের মনগড়া আইন-বিধানে রচিত সংবিধানের আনুগত্যের অধীনে বন্দি এবং (৩) মানুষের মনগড়া আইন-বিধানে রচিত সংবিধানের ভিত্তিতে নেতৃত্বদানকারী নেতা বা সরকারের আনুগত্যের অধীনে বন্দি হয়ে আছে- এসবই কুফর এবং শির্ক-ক্ষমার অযোগ্য মহা অপরাধ- সমাজ ও রাষ্ট্রের মৌলিক সমস্যা। তিনি বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত এই ৩টি মৌলিক সমস্যার সমাধান না হলে কোন সমস্যারই সমাধান হবে না, হচ্ছে না। কুফর এবং শিরকের পরিণতি দুনিয়ায় মানুষের জীবনে অকল্যাণ, অশান্তি এবং আখিরাতের জীবনে নিশ্চিত ঠিকানা হবে জাহান্নাম, যা মহাক্ষতি।
‘ইসলামী সমাজ’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সহকারী দায়িত্বশীল জনাব আবু জাফর মোহাম্মাদ সালেহ’র সঞ্চালনায় আজ ৮ আগস্ট ২০২৬ইং, শনিবার, সকাল ১১টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে “সমাজ ও রাষ্ট্রের মৌলিক সমস্যা সমূহ এবং তা সমাধানের উপায়” বিষয়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ইসলামী সমাজের আমীর বলেন, দুনিয়ার জীবনে কল্যাণ, শান্তি এবং আখিরাতের জীবনে জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেয়ে জান্নাত লাভ করতে হলে সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্ব, মানুষের মনগড়া আইন-বিধানে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের আনুগত্য এবং মানুষের মনগড়া আইন-বিধানে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের ভিত্তিতে নেতৃত্বদানকারী নেতা বা সরকারের আনুগত্য ত্যাগ করে জীবনের সকল ক্ষেত্রে একমাত্র আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন কর্তৃত্ব গ্রহণ করে রাব্বুনাল্লাহ্ বা আল্লাহু আকবার ঘোষণা করতে হবে এবং তাঁরই প্রদত্ত আইন-বিধানের আনুগত্য এবং তাঁরই মনোনীত সর্বশেষ নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর শর্তহীন আনুগত্য-অনুসরণ ও অনুকরণ গ্রহণ করে, সাক্ষ্য ও অঙ্গীকার করতে হবে আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ- এই বিষয়গুলোর উপরে দৃঢ় থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠায় রাসূল (সা:) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে আল্লাহরই সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে তাঁরই আইন-বিধানের প্রতিনিধিত্বকারী আমীরের নেতৃত্বের আনুগত্যের অধীনে থেকে সত্য দ্বীন ইসলামের তাবলীগ ও দাওয়াত দিতে থাকতে হবে।
সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার দাওয়াতি আন্দোলনে সকল প্রকার বিরোধীতার মুকাবিলার দায়িত্ব আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়ে ছবর ও ক্ষমার নীতিতে অটল থেকে সালাতের মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সাহায্য প্রার্থনা করতে থাকতে হবে এবং কুরআন ও সুন্নাহর জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে ঈমান, আকিদা, চরিত্র ও আমল পরিশুদ্ধ করতে হবে। তাহলে আল্লাহর ক্ষমা ও জান্নাত লাভ হবে এবং আল্লাহ’ই অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে ঈমানের সর্বোচ্চ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ঈমানদারগণকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে খিলাফত-রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব দান করবেন। এভাবে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব লাভহলেই রাসূল (সা:) এর অনুসরণ ও অনুকরণে পর্যায়ক্রমে ইসলামের আইন-বিধান চালু করতে হবে। এটাই ইসলাম প্রতিষ্ঠার কুরআন ও সুন্নাহ সম্মত একমাত্র পদ্ধতি। জাহিলিয়্যাত ত্যাগ করে জীবনের সকল ক্ষেত্রে ইসলাম গ্রহণ করে এ পদ্ধতিতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত প্রচেষ্টাই কল্যাণ ও মুক্তির একমাত্র পথ এবং এ পদ্ধতিতে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল সমস্যার সমাধান হবে। তিনি বলেন, আলকুরআন ও সুন্নাহ্ সম্মত পদ্ধতিতেই ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্তরীক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামী সমাজ। ‘ইসলামী সমাজ’ মূলত কল্যাণ ও মুক্তির পথে জীবন গড়ারই আদর্শবাদী প্রতিষ্ঠান এবং আন্দোলন। দলমত নির্বিশেষে সকলকে তিনি ইসলামী সমাজে শামিল হওয়ার আন্তরীক আহ্বান জানান।
জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং, ৩ মাসের জন্য ইসলামী সমাজ গৃহিত ৩ দফা কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, (১) দেশব্যাপী গণসংযোগ, পথসভা ও প্রচার পত্র বিলি চলছে, চলতে থাকবে। (২) ২১ আগস্ট, শুক্রবার- চট্টগ্রাম মহানগর, ৩১ আগস্ট, সোমবার- বগুড়া মহানগর, ৪ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার- আলমডাঙ্গা থানা শহর, চুয়াডাঙ্গা, ৫ সেেেপ্টম্বর, শনিবার- গাজীপুর মহানগর, ১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার- ময়মনসিংহ মহানগর, ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার- বিমানবন্দর, ঢাকা মহানগর উত্তর, ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার- মিরপুর, ঢাকা মহানগর উত্তর, ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার- শেরপুর জেলা শহরে- সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐক্য গঠনের লক্ষ্যে- উপরে বর্ণিত এলাক সমূহে সমাবেশ হবে এবং (৩) গাজীপুর মহানগর রাজবাড়ী মাঠ থেকে কুমিল্লা মহানগরের চকবাজর পর্যন্ত ২২ আগস্ট থেকে ২৬ আগস্ট এবং ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই ধাপে ‘ইসলামী সমাজ’ গঠিত ৫টি টিম গণসংযোগ, পথসভা ও প্রচার পত্র বিলি করবে ইনশাআল্লাহ। কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার, প্রশাসন এবং দেশবাসী সকলের সমর্থন ও সহযোগীতা তিনি প্রত্যাশা করেন।
মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-১ এর দায়িত্বশীল, মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা ও ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল মুহাম্মাদ ইয়াছিন সাহেব।