1. 0shamimreza@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  2. dhakasangbad22@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  3. didar3639@gmail.com : Didarul Alam : Didarul Alam
  4. mdjubaerhossen614@gmail.com : নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোর জেলা প্রতিনিধি
  5. jannataraf10@gmail.com : Umme jannat : Umme jannat
  6. mdsahariyaridoy0@gmail.com : দৈনিক ঢাকা সংবাদ : দৈনিক ঢাকা সংবাদ
০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইবনে সিনার ৭৭% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

ঢাকা সংবাদ এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ঔষধ ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান দি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি পিএলসি-র আর্থিক পারফরম্যান্সে উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কোম্পানিটির সম্পদমূল্য, শেয়ারপ্রতি আয় (EPS) এবং পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ—সবকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচকেই আগের অর্থবছরের তুলনায় শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৭৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।

কোম্পানির ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (PSI) অনুযায়ী, ৩৪২তম বোর্ড সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশের সুপারিশ করা হয়।

সমন্বিত (Consolidated) আর্থিক হিসাবে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দি ইবনে সিনা ফার্মার শেয়ারপ্রতি আয় (EPS) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৪৩ পয়সা, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২০ টাকা ২৭ পয়সা। অর্থাৎ এক বছরে EPS বেড়েছে প্রায় ২৫.৫ শতাংশ।

অন্যদিকে কোম্পানির একক (Standalone) আর্থিক হিসাবে EPS হয়েছে ২৫ টাকা ৩৭ পয়সা, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ছিল ২১ টাকা ১৩ পয়সা। এ হিসাবে EPS বেড়েছে প্রায় ২০.১ শতাংশ।

EPS-এর এই ধারাবাহিক উন্নতি কোম্পানিটির মুনাফা অর্জন সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে সমন্বিত হিসাবে কোম্পানিটির মোট নেট অ্যাসেট ভ্যালু (NAV) দাঁড়িয়েছে ৪৬৫ কোটি ৫৮ লাখ ৪৮ হাজার ৯৭০ টাকা, যা আগের অর্থবছরে ছিল প্রায় ৩৯৯ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ২৬০ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে মোট NAV বেড়েছে প্রায় ১৬.৫ শতাংশ।

শেয়ারপ্রতি NAV-ও বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি NAV দাঁড়িয়েছে ১৪৪ টাকা ৫৬ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ১২৫ টাকা ৬৯ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য বেড়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ।

একক আর্থিক হিসাবেও একই ধরনের ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। কোম্পানিটির মোট NAV বেড়ে হয়েছে ৪৫২ কোটি ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৬৩ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৩৯৩ কোটি ২৩ লাখ ৮৩ হাজার ৫৬ টাকা। শেয়ারপ্রতি NAV বেড়ে হয়েছে ১৪৪ টাকা ৬৭ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ১২৫ টাকা ৮৬ পয়সা।

দি ইবনে সিনা ফার্মার আর্থিক সক্ষমতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সমন্বিত হিসাবে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (NOCFPS) হয়েছে ৩৭ টাকা ৯৫ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ২৩ টাকা ১৬ পয়সা।

অর্থাৎ NOCFPS এক বছরে বেড়েছে প্রায় ৬৩.৯ শতাংশ। একক হিসাবেও NOCFPS বেড়ে ৩৭ টাকা ৬৬ পয়সা হয়েছে, যা আগের বছর ছিল ২২ টাকা ৭৮ পয়সা। এ হিসাবে প্রবৃদ্ধি প্রায় ৬৫.৩ শতাংশ।

ক্যাশ ফ্লোতে এই উল্লেখযোগ্য উন্নতি কোম্পানিটির মূল ব্যবসায়িক কার্যক্রম থেকে নগদ অর্থ সৃষ্টির সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকটি তুলে ধরে।

আর্থিক সূচকের উন্নতির পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৭৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে দি ইবনে সিনা ফার্মার পরিচালনা পর্ষদ। কোম্পানির আর্থিক কর্মদক্ষতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য নগদ রিটার্ন দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত বাজারে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

লভ্যাংশ পাওয়ার যোগ্য শেয়ারহোল্ডার নির্ধারণে ২৬ অক্টোবর ২০২৬ রেকর্ড/বুক ক্লোজার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

২৩ নভেম্বর ৪২তম বার্ষিক সাধারণ সভা

কোম্পানির ৪২তম বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) অনুষ্ঠিত হবে ২৩ নভেম্বর ২০২৬, সোমবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে। AGM ডিজিটাল/ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে।

কোম্পানির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রেকর্ড তারিখে শেয়ার রেজিস্টার বা CDBL-এ যাদের নাম থাকবে, তারাই AGM-এ অংশগ্রহণ, ভোটদান এবং ঘোষিত লভ্যাংশ পাওয়ার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন।

দি ইবনে সিনা ফার্মার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আর্থিক চিত্রে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়—EPS বৃদ্ধি, NAV বৃদ্ধি এবং অপারেটিং ক্যাশ ফ্লোতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি। বিশেষ করে EPS-এর পাশাপাশি NOCFPS-এর শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি কোম্পানিটির পরিচালন সক্ষমতা ও নগদ অর্থ সৃষ্টির ধারাবাহিক উন্নতির ইঙ্গিত দেয়।

একই সময়ে সম্পদমূল্য বৃদ্ধির ফলে কোম্পানিটির ব্যালান্সশিটের ভিত্তিও আগের বছরের তুলনায় শক্তিশালী হয়েছে। এর সঙ্গে ৭৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ যুক্ত হওয়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরটি কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে।

তবে কোনো বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে শুধু লভ্যাংশ বা একটি অর্থবছরের আর্থিক সূচক নয়—কোম্পানির ভবিষ্যৎ আয়, ব্যবসা সম্প্রসারণ, ঋণ ও দায়, নগদ প্রবাহের স্থায়িত্ব এবং বাজারমূল্যসহ সামগ্রিক বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে

ইবনে সিনার ৭৭% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ঔষধ ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান দি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি পিএলসি-র আর্থিক পারফরম্যান্সে উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কোম্পানিটির সম্পদমূল্য, শেয়ারপ্রতি আয় (EPS) এবং পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ—সবকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচকেই আগের অর্থবছরের তুলনায় শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৭৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।

কোম্পানির ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (PSI) অনুযায়ী, ৩৪২তম বোর্ড সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশের সুপারিশ করা হয়।

সমন্বিত (Consolidated) আর্থিক হিসাবে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দি ইবনে সিনা ফার্মার শেয়ারপ্রতি আয় (EPS) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৪৩ পয়সা, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২০ টাকা ২৭ পয়সা। অর্থাৎ এক বছরে EPS বেড়েছে প্রায় ২৫.৫ শতাংশ।

অন্যদিকে কোম্পানির একক (Standalone) আর্থিক হিসাবে EPS হয়েছে ২৫ টাকা ৩৭ পয়সা, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ছিল ২১ টাকা ১৩ পয়সা। এ হিসাবে EPS বেড়েছে প্রায় ২০.১ শতাংশ।

EPS-এর এই ধারাবাহিক উন্নতি কোম্পানিটির মুনাফা অর্জন সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে সমন্বিত হিসাবে কোম্পানিটির মোট নেট অ্যাসেট ভ্যালু (NAV) দাঁড়িয়েছে ৪৬৫ কোটি ৫৮ লাখ ৪৮ হাজার ৯৭০ টাকা, যা আগের অর্থবছরে ছিল প্রায় ৩৯৯ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ২৬০ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে মোট NAV বেড়েছে প্রায় ১৬.৫ শতাংশ।

শেয়ারপ্রতি NAV-ও বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি NAV দাঁড়িয়েছে ১৪৪ টাকা ৫৬ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ১২৫ টাকা ৬৯ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য বেড়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ।

একক আর্থিক হিসাবেও একই ধরনের ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। কোম্পানিটির মোট NAV বেড়ে হয়েছে ৪৫২ কোটি ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৬৩ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৩৯৩ কোটি ২৩ লাখ ৮৩ হাজার ৫৬ টাকা। শেয়ারপ্রতি NAV বেড়ে হয়েছে ১৪৪ টাকা ৬৭ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ১২৫ টাকা ৮৬ পয়সা।

দি ইবনে সিনা ফার্মার আর্থিক সক্ষমতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সমন্বিত হিসাবে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (NOCFPS) হয়েছে ৩৭ টাকা ৯৫ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ২৩ টাকা ১৬ পয়সা।

অর্থাৎ NOCFPS এক বছরে বেড়েছে প্রায় ৬৩.৯ শতাংশ। একক হিসাবেও NOCFPS বেড়ে ৩৭ টাকা ৬৬ পয়সা হয়েছে, যা আগের বছর ছিল ২২ টাকা ৭৮ পয়সা। এ হিসাবে প্রবৃদ্ধি প্রায় ৬৫.৩ শতাংশ।

ক্যাশ ফ্লোতে এই উল্লেখযোগ্য উন্নতি কোম্পানিটির মূল ব্যবসায়িক কার্যক্রম থেকে নগদ অর্থ সৃষ্টির সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকটি তুলে ধরে।

আর্থিক সূচকের উন্নতির পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৭৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে দি ইবনে সিনা ফার্মার পরিচালনা পর্ষদ। কোম্পানির আর্থিক কর্মদক্ষতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য নগদ রিটার্ন দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত বাজারে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

লভ্যাংশ পাওয়ার যোগ্য শেয়ারহোল্ডার নির্ধারণে ২৬ অক্টোবর ২০২৬ রেকর্ড/বুক ক্লোজার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

২৩ নভেম্বর ৪২তম বার্ষিক সাধারণ সভা

কোম্পানির ৪২তম বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) অনুষ্ঠিত হবে ২৩ নভেম্বর ২০২৬, সোমবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে। AGM ডিজিটাল/ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে।

কোম্পানির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রেকর্ড তারিখে শেয়ার রেজিস্টার বা CDBL-এ যাদের নাম থাকবে, তারাই AGM-এ অংশগ্রহণ, ভোটদান এবং ঘোষিত লভ্যাংশ পাওয়ার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন।

দি ইবনে সিনা ফার্মার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আর্থিক চিত্রে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়—EPS বৃদ্ধি, NAV বৃদ্ধি এবং অপারেটিং ক্যাশ ফ্লোতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি। বিশেষ করে EPS-এর পাশাপাশি NOCFPS-এর শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি কোম্পানিটির পরিচালন সক্ষমতা ও নগদ অর্থ সৃষ্টির ধারাবাহিক উন্নতির ইঙ্গিত দেয়।

একই সময়ে সম্পদমূল্য বৃদ্ধির ফলে কোম্পানিটির ব্যালান্সশিটের ভিত্তিও আগের বছরের তুলনায় শক্তিশালী হয়েছে। এর সঙ্গে ৭৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ যুক্ত হওয়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরটি কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে।

তবে কোনো বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে শুধু লভ্যাংশ বা একটি অর্থবছরের আর্থিক সূচক নয়—কোম্পানির ভবিষ্যৎ আয়, ব্যবসা সম্প্রসারণ, ঋণ ও দায়, নগদ প্রবাহের স্থায়িত্ব এবং বাজারমূল্যসহ সামগ্রিক বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন।