1. 0shamimreza@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  2. dhakasangbad22@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  3. didar3639@gmail.com : Didarul Alam : Didarul Alam
  4. mdjubaerhossen614@gmail.com : নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোর জেলা প্রতিনিধি
  5. jannataraf10@gmail.com : Umme jannat : Umme jannat
  6. mdsahariyaridoy0@gmail.com : দৈনিক ঢাকা সংবাদ : দৈনিক ঢাকা সংবাদ
১১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সাথে বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডিএসইর ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকা থেকে বাদ ডোরিন পাওয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার খুলনা সফরে গেলেন তারেক রহমান Un-Audited Financial Statements Third Quarter (Q3) of Bangladesh General Insurance Company PLC মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার:প্রধানমন্ত্রী ইবনে সিনার ৭৭% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা গাইবান্ধায় বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা বাগাতিপাড়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ায় পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে যুবককে মারধর ও মামলা, বিচার চেয়ে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

সিটি ব্যাংকের প্রথম ইএসজি প্রতিবেদন প্রকাশ

ঢাকা সংবাদ এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টেকসই ব্যাংকিংয়ের লক্ষ্য নিয়ে বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংক তাদের কর ব্যবস্থাপনায় কাগজবিহীন সার্টিফিকেশনের উদ্যোগ চালু করে। এই পদক্ষেপের ফলে প্রথাগত কাগজের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। সিটি ব্যাংক বলছে, এতে তাদের প্রতি বছর আনুমানিক ৪৩ হাজার পৃষ্ঠা কাগজ এবং শত শত কর্মঘণ্টা সাশ্রয় হয়েছে।

সিটি ব্যাংকের ‘ব্যাংক অন সলিডিটি, ব্যাংকিং অন সাসটেইনেবেলিটি’ শিরোনামে প্রথমবারের মতো প্রকাশিত এনভায়রনমেন্টাল, সোশ্যাল অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (ইএসজি) প্রতিবেদন এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যাংকটি গত পাঁচ বছরে মোট ৪ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা কর বাবদ সরকারের কোষাগারে জমা দিয়েছে। এর মধ্যে ২০২০ সালে ৬৭০ কোটি টাকা, ২০২১ সালে ৪৪৭ কোটি টাকা, ২০২২ সালে ১ হাজার ৬৩ কোটি টাকা, ২০২৩ সালে ১ হাজার ২১৪ কোটি টাকা এবং সবশেষ ২০২৪ সালে ১ হাজার ৪০৪ কোটি টাকা কর পরিশোধ করেছে সিটি ব্যাংক।

কর পরিশোধের এই প্রক্রিয়াগুলিকে ডিজিটালাইজ করার মাধ্যমে ব্যাংকটি দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব চর্চার মাধ্যমে অংশীদারদের সঙ্গে তাদের সম্পর্কও জোরদার করতে সক্ষম হয়েছে বলে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়।

কর্মপরিবেশ নিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে ব্যাংকটি একটি মাত্র হয়রানির অভিযোগ পেয়েছে। অভিযোগটি যথাযথভাবে খতিয়েও দেখা হয়। ব্যাংকটি বলছে, আমাদের ‘সংশ্লিষ্টতা কৌশলের মূলে রয়েছে এমন একটি কর্মক্ষেত্র তৈরি করা, যেখানে নারীরা নিরাপদ ও সম্মান বোধ করেন। যেকোনো অনাকাক্সিক্ষত ঘটনায় এবং ন্যায্য সমাধানের জন্য ব্যাংকটি একটি শক্তিশালী অভিযোগ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা, একটি কাঠামোগত আচরণবিধি, হুইসেল-ব্লোয়ার নীতি এবং যৌন হয়রানি প্রতিরোধ নীতি প্রতিষ্ঠা করে।

ব্যাংকের সুশাসন নিশ্চিত করতে কার্যকর পর্ষদের সহায়তার বিষয়টিও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়। ব্যাংকটি মনে করে, করপোরেট গভর্ন্যান্স, শেয়ারহোল্ডারদের মূল্য এবং শেয়ারহোল্ডারদের অধিকারের সুরক্ষা প্রদানের জন্য পর্ষদের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ। এটি তাদের কর্মীদের উৎসাহিত করে এবং একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলে, যার ফলে কাজের সন্তুষ্টি এবং আনুগত্য বৃদ্ধি পায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সিটি ব্যাংকে কর্মীদের সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালিত হয়। ২০২৪ সালে ১৯টি অগখ প্রশিক্ষণ অধিবেশন পরিচালিত হয়েছিল, যার মধ্যে ৩ হাজার ৬২ জন কর্মী অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়া কর্মীদের অগখ/ঈঋঞ সম্মতি সম্পর্কে শিক্ষিত করার জন্য ১৫টি শাখা পরিদর্শন করা হয়েছিল, যা ক্রমাগত সতর্কতা এবং সচেতনতার সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করে।

এই প্রতিবেদন প্রকাশ করাকে টেকসই ও দায়িত্বশীল ব্যাংকিংয়ের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক মনে করছে সিটি ব্যাংক।

এই প্রতিবেদনে জলবায়ু ও পরিবেশ-সংক্রান্ত উদ্যোগগুলোর পাশাপাশি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সিটি ব্যাংকের বিস্তৃত অবদানকেও তুলে ধরা হয়। সবুজ ও টেকসই অর্থায়নের প্রবৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগের তথ্য এই প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

এ ছাড়া এতে গ্রাহকের পরিবেশ ও সামাজিক ঝুঁকি নির্ণয় কীভাবে অর্থায়নের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে, তা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কেনাকাটার স্বচ্ছতার বিষয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যাংকটি গত ৩ বছরে ১ হাজার ৪৪১টি নতুন সাপ্লাইয়ারকে তাদের কেনাকাটার নেটওয়ার্কের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে।

জলবায়ু-সংক্রান্ত উদ্যোগের পাশাপাশি প্রতিবেদনটিতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়ন বৃদ্ধি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রমের তথ্য রয়েছে। এ বছরের প্রতিবেদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ব্যাংকের গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের হিসাব প্রকাশ, যা ব্যাংকের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার প্রতিশ্রুতি পরিপালনের একটি নজির।

ইএসজি প্রতিবেদন প্রকাশনা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে সিটি ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন বলেন, এই ইএসজি প্রতিবেদনটি দায়িত্বশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের কার্যক্রমের প্রতিফলন। আমরা পরিবেশ, সামাজিক এবং সবক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করে আমাদের অংশীদারদের মধ্যে দৃঢ় আস্থা গড়ে তুলেছি। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশে টেকসই প্রবৃদ্ধির অনুঘটক হিসেবে আমাদের ভূমিকা জোরদার করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছি।

এই প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে সিটি ব্যাংকের টেকসই যাত্রায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা, বিনিয়োগকারী, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এবং দায়িত্বশীল আর্থিক প্রতিষ্ঠান অনুসন্ধানকারী গ্রাহকদের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতা আরও জোরদার করবে বলে প্রত্যাশা করছে ব্যাংকটির কর্মকর্তারা।

০৯ অক্টোবর ২০২৫
ফেভিকন

সিটি ব্যাংকের প্রথম ইএসজি প্রতিবেদন প্রকাশ

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:১৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫ ৬৯ বার পড়া হয়েছে

সিটি ব্যাংকের প্রথম ইএসজি প্রতিবেদন প্রকাশ

আপডেট সময় : ০৮:১৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

টেকসই ব্যাংকিংয়ের লক্ষ্য নিয়ে বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংক তাদের কর ব্যবস্থাপনায় কাগজবিহীন সার্টিফিকেশনের উদ্যোগ চালু করে। এই পদক্ষেপের ফলে প্রথাগত কাগজের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। সিটি ব্যাংক বলছে, এতে তাদের প্রতি বছর আনুমানিক ৪৩ হাজার পৃষ্ঠা কাগজ এবং শত শত কর্মঘণ্টা সাশ্রয় হয়েছে।

সিটি ব্যাংকের ‘ব্যাংক অন সলিডিটি, ব্যাংকিং অন সাসটেইনেবেলিটি’ শিরোনামে প্রথমবারের মতো প্রকাশিত এনভায়রনমেন্টাল, সোশ্যাল অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (ইএসজি) প্রতিবেদন এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যাংকটি গত পাঁচ বছরে মোট ৪ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা কর বাবদ সরকারের কোষাগারে জমা দিয়েছে। এর মধ্যে ২০২০ সালে ৬৭০ কোটি টাকা, ২০২১ সালে ৪৪৭ কোটি টাকা, ২০২২ সালে ১ হাজার ৬৩ কোটি টাকা, ২০২৩ সালে ১ হাজার ২১৪ কোটি টাকা এবং সবশেষ ২০২৪ সালে ১ হাজার ৪০৪ কোটি টাকা কর পরিশোধ করেছে সিটি ব্যাংক।

কর পরিশোধের এই প্রক্রিয়াগুলিকে ডিজিটালাইজ করার মাধ্যমে ব্যাংকটি দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব চর্চার মাধ্যমে অংশীদারদের সঙ্গে তাদের সম্পর্কও জোরদার করতে সক্ষম হয়েছে বলে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়।

কর্মপরিবেশ নিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে ব্যাংকটি একটি মাত্র হয়রানির অভিযোগ পেয়েছে। অভিযোগটি যথাযথভাবে খতিয়েও দেখা হয়। ব্যাংকটি বলছে, আমাদের ‘সংশ্লিষ্টতা কৌশলের মূলে রয়েছে এমন একটি কর্মক্ষেত্র তৈরি করা, যেখানে নারীরা নিরাপদ ও সম্মান বোধ করেন। যেকোনো অনাকাক্সিক্ষত ঘটনায় এবং ন্যায্য সমাধানের জন্য ব্যাংকটি একটি শক্তিশালী অভিযোগ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা, একটি কাঠামোগত আচরণবিধি, হুইসেল-ব্লোয়ার নীতি এবং যৌন হয়রানি প্রতিরোধ নীতি প্রতিষ্ঠা করে।

ব্যাংকের সুশাসন নিশ্চিত করতে কার্যকর পর্ষদের সহায়তার বিষয়টিও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়। ব্যাংকটি মনে করে, করপোরেট গভর্ন্যান্স, শেয়ারহোল্ডারদের মূল্য এবং শেয়ারহোল্ডারদের অধিকারের সুরক্ষা প্রদানের জন্য পর্ষদের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ। এটি তাদের কর্মীদের উৎসাহিত করে এবং একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলে, যার ফলে কাজের সন্তুষ্টি এবং আনুগত্য বৃদ্ধি পায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সিটি ব্যাংকে কর্মীদের সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালিত হয়। ২০২৪ সালে ১৯টি অগখ প্রশিক্ষণ অধিবেশন পরিচালিত হয়েছিল, যার মধ্যে ৩ হাজার ৬২ জন কর্মী অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়া কর্মীদের অগখ/ঈঋঞ সম্মতি সম্পর্কে শিক্ষিত করার জন্য ১৫টি শাখা পরিদর্শন করা হয়েছিল, যা ক্রমাগত সতর্কতা এবং সচেতনতার সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করে।

এই প্রতিবেদন প্রকাশ করাকে টেকসই ও দায়িত্বশীল ব্যাংকিংয়ের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক মনে করছে সিটি ব্যাংক।

এই প্রতিবেদনে জলবায়ু ও পরিবেশ-সংক্রান্ত উদ্যোগগুলোর পাশাপাশি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সিটি ব্যাংকের বিস্তৃত অবদানকেও তুলে ধরা হয়। সবুজ ও টেকসই অর্থায়নের প্রবৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগের তথ্য এই প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

এ ছাড়া এতে গ্রাহকের পরিবেশ ও সামাজিক ঝুঁকি নির্ণয় কীভাবে অর্থায়নের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে, তা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কেনাকাটার স্বচ্ছতার বিষয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যাংকটি গত ৩ বছরে ১ হাজার ৪৪১টি নতুন সাপ্লাইয়ারকে তাদের কেনাকাটার নেটওয়ার্কের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে।

জলবায়ু-সংক্রান্ত উদ্যোগের পাশাপাশি প্রতিবেদনটিতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়ন বৃদ্ধি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রমের তথ্য রয়েছে। এ বছরের প্রতিবেদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ব্যাংকের গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের হিসাব প্রকাশ, যা ব্যাংকের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার প্রতিশ্রুতি পরিপালনের একটি নজির।

ইএসজি প্রতিবেদন প্রকাশনা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে সিটি ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন বলেন, এই ইএসজি প্রতিবেদনটি দায়িত্বশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের কার্যক্রমের প্রতিফলন। আমরা পরিবেশ, সামাজিক এবং সবক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করে আমাদের অংশীদারদের মধ্যে দৃঢ় আস্থা গড়ে তুলেছি। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশে টেকসই প্রবৃদ্ধির অনুঘটক হিসেবে আমাদের ভূমিকা জোরদার করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছি।

এই প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে সিটি ব্যাংকের টেকসই যাত্রায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা, বিনিয়োগকারী, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এবং দায়িত্বশীল আর্থিক প্রতিষ্ঠান অনুসন্ধানকারী গ্রাহকদের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতা আরও জোরদার করবে বলে প্রত্যাশা করছে ব্যাংকটির কর্মকর্তারা।

০৯ অক্টোবর ২০২৫
ফেভিকন

সিটি ব্যাংকের প্রথম ইএসজি প্রতিবেদন প্রকাশ

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com