1. 0shamimreza@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  2. dhakasangbad22@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  3. didar3639@gmail.com : Didarul Alam : Didarul Alam
  4. mdjubaerhossen614@gmail.com : নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোর জেলা প্রতিনিধি
  5. jannataraf10@gmail.com : Umme jannat : Umme jannat
  6. mdsahariyaridoy0@gmail.com : দৈনিক ঢাকা সংবাদ : দৈনিক ঢাকা সংবাদ
১২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সাথে বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডিএসইর ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকা থেকে বাদ ডোরিন পাওয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার খুলনা সফরে গেলেন তারেক রহমান Un-Audited Financial Statements Third Quarter (Q3) of Bangladesh General Insurance Company PLC মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার:প্রধানমন্ত্রী ইবনে সিনার ৭৭% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা গাইবান্ধায় বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা বাগাতিপাড়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ায় পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে যুবককে মারধর ও মামলা, বিচার চেয়ে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

সরকারি ঋণের চাহিদা পূরণে পুঁজিবাজারে জোর দেবো : আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

ঢাকা সংবাদ এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অতীতে আমরা দেখেছি রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান দিতে বৈদেশিক ঋণের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়েছে সরকার। অথচ পুঁজিবাজারের মাধ্যমে বৈদেশিক ঋণের চাপ কমানো যেত। বাংলাদেশে এটির চর্চা নেই। আমরা এটিতে গুরুত্ব দেবো। 

তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে বন্ড ছেড়ে ঋণ নির্ভরতা কমানো সম্ভব। বাংলাদেশেও এই প্র্যাক্টিসটি চালু করতে চাই। এতে বাংলাদেশের অর্থনীতি যে জায়গায় পিছিয়ে রয়েছে, সেটি থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড আয়োজিত ‘পোস্ট ইলেকশন ২০২৬ হরিজন : ইকোনমি পলিটিক্স অ্যান্ড ক্যাপিটাল মার্কেট’ শীর্ষক এক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের অর্থায়নের যোগান দিতে ক্যাপিটাল মার্কেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে ব্যাংকের পরিবর্তে ক্যাপিটাল মার্কেট থেকে অর্থায়ন হওয়া উচিত। অথচ আমাদের দেশে এটি পুরোপুরি উল্টো।

পুঁজিবাজার কার্যকর না হওয়ায় সরকার আইএমএফ এর কাছ থেকে অনেক শর্তের ঋণ নিয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে আমীর খসরু বলেন, উড়োজাহাজ কেনা ও রেলওয়ের বড় খাতে বিনিয়োগের জন্য এখন বিদেশে ধার করতে যেতে হয়। অথচ সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা রেলওয়ের মতো সরকারি সংস্থাগুলো মিউনিসিপ্যাল বন্ড বা সার্বভৌম বন্ড ছেড়ে বিমান কেনা বা বড় প্রকল্পের অর্থায়ন করতে পারত। এমনকি জেপি মরগানের মতো প্রতিষ্ঠানও বাংলাদেশের জন্য বন্ড ছাড়তে আগ্রহী হতে পারে, যদি আমরা সঠিক পরিবেশ তৈরি করতে পারি।

ভিয়েতনাম, চীন এখন যুক্তরাষ্ট্রের ট্যারিফ সমস্যায় পড়েছে। বাংলাদেশ তার চেয়ে অনেক সুবিধাজনক আবস্থানে আছে। প্রতিনিয়ত বিদেশিরা বাংলাদেশ আসছে, কিন্তু তারা বিনিয়োগ করছে না। নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছেন বলেও মন্তব্য করেন আমীর খসরু।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত সরকার আসলে সবাই বিনিয়োগ করবেন। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের বাজার ব্যবস্থাপনায় বিশ্বাস রাখতে হবে। আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এই বিশ্বাসের অভাব। আস্থাহীনতার কারণে ডি-রেগুলেটে (ভুলভাবে নিয়ন্ত্রণ) করা হয়েছে।

আমীর খসরু বলেন, আগামী সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো অর্থনীতিকে এখান থেকে কীভাবে তুলে আনা হবে সেটা। আমাদের সংস্কারের বিকল্প নেই। সংস্কারেই যেতে হবে, বাজারই ঠিক করবে কি ধরনের সংস্কার লাগবে। পুঁজিবাজারের স্বচ্ছতা আনতে হবে। আমি এ কথার সঙ্গে একমত যে, বছরের পর বছর ধরে যেসব ‘গারবেজ অ্যাকাউন্ট’ দিয়ে সাজানো হয়েছে, সেগুলো পরিষ্কার করা জরুরি। প্রতিবছর হিসাব সাজিয়ে সমস্যা ঢাকার কোনো মানে নেই; এতে সমস্যা আরও বাড়ছে। ব্যাংকিং খাতের সংকট দিন দিন গভীর হচ্ছে মূলত এই হিসাব সাজানোর সংস্কৃতির কারণেই।

সবশেষে আবারও বলছি—বাজারের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে এবং বাজারকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। আমি মনে করি, তা করতে পারলে আমাদের অনেক সমস্যারই সমাধান সম্ভব হবে।

সম্মেলনে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসের সুরা সদস্য অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার মো. সাইফুদ্দিন, অর্থনীতিবিদ ও র‌্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন। এতে বিদেশি ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগকরী ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ফেভিকন

সরকারি ঋণের চাহিদা পূরণে পুঁজিবাজারে জোর দেবো : আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৮৯ বার পড়া হয়েছে

সরকারি ঋণের চাহিদা পূরণে পুঁজিবাজারে জোর দেবো : আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

আপডেট সময় : ১০:৫৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অতীতে আমরা দেখেছি রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান দিতে বৈদেশিক ঋণের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়েছে সরকার। অথচ পুঁজিবাজারের মাধ্যমে বৈদেশিক ঋণের চাপ কমানো যেত। বাংলাদেশে এটির চর্চা নেই। আমরা এটিতে গুরুত্ব দেবো। 

তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে বন্ড ছেড়ে ঋণ নির্ভরতা কমানো সম্ভব। বাংলাদেশেও এই প্র্যাক্টিসটি চালু করতে চাই। এতে বাংলাদেশের অর্থনীতি যে জায়গায় পিছিয়ে রয়েছে, সেটি থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড আয়োজিত ‘পোস্ট ইলেকশন ২০২৬ হরিজন : ইকোনমি পলিটিক্স অ্যান্ড ক্যাপিটাল মার্কেট’ শীর্ষক এক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের অর্থায়নের যোগান দিতে ক্যাপিটাল মার্কেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে ব্যাংকের পরিবর্তে ক্যাপিটাল মার্কেট থেকে অর্থায়ন হওয়া উচিত। অথচ আমাদের দেশে এটি পুরোপুরি উল্টো।

পুঁজিবাজার কার্যকর না হওয়ায় সরকার আইএমএফ এর কাছ থেকে অনেক শর্তের ঋণ নিয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে আমীর খসরু বলেন, উড়োজাহাজ কেনা ও রেলওয়ের বড় খাতে বিনিয়োগের জন্য এখন বিদেশে ধার করতে যেতে হয়। অথচ সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা রেলওয়ের মতো সরকারি সংস্থাগুলো মিউনিসিপ্যাল বন্ড বা সার্বভৌম বন্ড ছেড়ে বিমান কেনা বা বড় প্রকল্পের অর্থায়ন করতে পারত। এমনকি জেপি মরগানের মতো প্রতিষ্ঠানও বাংলাদেশের জন্য বন্ড ছাড়তে আগ্রহী হতে পারে, যদি আমরা সঠিক পরিবেশ তৈরি করতে পারি।

ভিয়েতনাম, চীন এখন যুক্তরাষ্ট্রের ট্যারিফ সমস্যায় পড়েছে। বাংলাদেশ তার চেয়ে অনেক সুবিধাজনক আবস্থানে আছে। প্রতিনিয়ত বিদেশিরা বাংলাদেশ আসছে, কিন্তু তারা বিনিয়োগ করছে না। নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছেন বলেও মন্তব্য করেন আমীর খসরু।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত সরকার আসলে সবাই বিনিয়োগ করবেন। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের বাজার ব্যবস্থাপনায় বিশ্বাস রাখতে হবে। আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এই বিশ্বাসের অভাব। আস্থাহীনতার কারণে ডি-রেগুলেটে (ভুলভাবে নিয়ন্ত্রণ) করা হয়েছে।

আমীর খসরু বলেন, আগামী সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো অর্থনীতিকে এখান থেকে কীভাবে তুলে আনা হবে সেটা। আমাদের সংস্কারের বিকল্প নেই। সংস্কারেই যেতে হবে, বাজারই ঠিক করবে কি ধরনের সংস্কার লাগবে। পুঁজিবাজারের স্বচ্ছতা আনতে হবে। আমি এ কথার সঙ্গে একমত যে, বছরের পর বছর ধরে যেসব ‘গারবেজ অ্যাকাউন্ট’ দিয়ে সাজানো হয়েছে, সেগুলো পরিষ্কার করা জরুরি। প্রতিবছর হিসাব সাজিয়ে সমস্যা ঢাকার কোনো মানে নেই; এতে সমস্যা আরও বাড়ছে। ব্যাংকিং খাতের সংকট দিন দিন গভীর হচ্ছে মূলত এই হিসাব সাজানোর সংস্কৃতির কারণেই।

সবশেষে আবারও বলছি—বাজারের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে এবং বাজারকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। আমি মনে করি, তা করতে পারলে আমাদের অনেক সমস্যারই সমাধান সম্ভব হবে।

সম্মেলনে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসের সুরা সদস্য অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার মো. সাইফুদ্দিন, অর্থনীতিবিদ ও র‌্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন। এতে বিদেশি ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগকরী ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ফেভিকন

সরকারি ঋণের চাহিদা পূরণে পুঁজিবাজারে জোর দেবো : আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com