1. 0shamimreza@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  2. dhakasangbad22@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  3. didar3639@gmail.com : Didarul Alam : Didarul Alam
  4. mdjubaerhossen614@gmail.com : নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোর জেলা প্রতিনিধি
  5. jannataraf10@gmail.com : Umme jannat : Umme jannat
  6. mdsahariyaridoy0@gmail.com : দৈনিক ঢাকা সংবাদ : দৈনিক ঢাকা সংবাদ
০১:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে হাড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল call বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সাথে বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডিএসইর ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকা থেকে বাদ ডোরিন পাওয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার খুলনা সফরে গেলেন তারেক রহমান Un-Audited Financial Statements Third Quarter (Q3) of Bangladesh General Insurance Company PLC মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার:প্রধানমন্ত্রী ইবনে সিনার ৭৭% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা গাইবান্ধায় বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা বাগাতিপাড়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ায় পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল

শ্যালক শ্যালিকা স্ত্রীসহ মিলেমিশে লুটেছেন হাজার হাজার কোটি টাকা

ঢাকা সংবাদ এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম ও তার পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে বেরিয়েছে—রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তার নামে তারা খুলেছেন এনজিও, আর সেই পথে হাতিয়ে নিয়েছেন এক হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ। শুধু তাই নয়, আত্মসাৎকৃত অর্থ ঘুরেছে স্ত্রীর, শ্যালকের, শ্যালিকার, এমনকি গৃহিণী ভগ্নিপতির স্ত্রীর ব্যাংক হিসাবেও।

দুদক ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার হাতে থাকা নথি বলছে, মনিরুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব সায়লা ফারজানার নামে পরিচালিত একাধিক হিসাব থেকে কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। একই কৌশলে জড়িত ছিলেন শ্যালক রেজাউল আলম শাহীন, তার স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পা এবং টুম্পার ভাই দেলোয়ার হোসেন। তাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান—এস এস এন্টারপ্রাইজ ও উপমা ইন্টারন্যাশনাল—ছিল টাকার প্রধান ‘ট্রানজিট হাব’।

কুয়েত সোসাইটি ফর রিলিফ ও শারজাহ চ্যারিটি ইন্টারন্যাশনাল—দুটি নামকরা এনজিও থেকে এসেছে বিপুল অনুদান। সেই অনুদান রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় হওয়ার বদলে গেছে ব্যাংক হিসাবের লেয়ারে লেয়ারে। শুধু কেএসআর-এর এক হিসাবেই ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জমা হয়েছে প্রায় ৮৭০ কোটি টাকা, যার বেশিরভাগই আত্মসাৎ হয়ে গেছে বলে অভিযোগ।

সানজিদা টুম্পার নামে মাত্র কয়েক বছরে জমা হয়েছে ১১.৭০ কোটি টাকা; শ্যালক শাহীনের হিসাবে মিলেছে একাধিক এফডিআর, যেখানে কোটি কোটি টাকার ঘুরপাক। মনিরুল নিজেও মিরপুর ও উত্তরায় কিনেছেন অন্তত ৫০টি ফ্ল্যাট—অধিকাংশ স্ত্রী ও আত্মীয়দের নামে।

একজন দুদক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, “প্রাথমিকভাবে যা দেখা যাচ্ছে, এটি দুর্নীতি আর মানি লন্ডারিংয়ের ক্লাসিক কেস। এনজিওর নামে রোহিঙ্গা সহায়তার টাকা থেকে শুরু করে সরকারি প্রভাব খাটিয়ে সংগৃহীত ঘুষ—সব মিলেই অর্থের অজস্র স্রোত তৈরি হয়েছে।”

অভিযোগের সত্যতা যাচাই এখনও চলমান। তবে এতো পরিবারকেন্দ্রিক ‘সিন্ডিকেট’ কেবল দুর্নীতি নয়—বাংলাদেশের মানবিক সহায়তার ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, বলছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ফেভিকন

শ্যালক শ্যালিকা স্ত্রীসহ মিলেমিশে লুটেছেন হাজার হাজার কোটি টাকা

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

শ্যালক শ্যালিকা স্ত্রীসহ মিলেমিশে লুটেছেন হাজার হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় : ১২:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম ও তার পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে বেরিয়েছে—রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তার নামে তারা খুলেছেন এনজিও, আর সেই পথে হাতিয়ে নিয়েছেন এক হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ। শুধু তাই নয়, আত্মসাৎকৃত অর্থ ঘুরেছে স্ত্রীর, শ্যালকের, শ্যালিকার, এমনকি গৃহিণী ভগ্নিপতির স্ত্রীর ব্যাংক হিসাবেও।

দুদক ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার হাতে থাকা নথি বলছে, মনিরুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব সায়লা ফারজানার নামে পরিচালিত একাধিক হিসাব থেকে কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। একই কৌশলে জড়িত ছিলেন শ্যালক রেজাউল আলম শাহীন, তার স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পা এবং টুম্পার ভাই দেলোয়ার হোসেন। তাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান—এস এস এন্টারপ্রাইজ ও উপমা ইন্টারন্যাশনাল—ছিল টাকার প্রধান ‘ট্রানজিট হাব’।

কুয়েত সোসাইটি ফর রিলিফ ও শারজাহ চ্যারিটি ইন্টারন্যাশনাল—দুটি নামকরা এনজিও থেকে এসেছে বিপুল অনুদান। সেই অনুদান রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় হওয়ার বদলে গেছে ব্যাংক হিসাবের লেয়ারে লেয়ারে। শুধু কেএসআর-এর এক হিসাবেই ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জমা হয়েছে প্রায় ৮৭০ কোটি টাকা, যার বেশিরভাগই আত্মসাৎ হয়ে গেছে বলে অভিযোগ।

সানজিদা টুম্পার নামে মাত্র কয়েক বছরে জমা হয়েছে ১১.৭০ কোটি টাকা; শ্যালক শাহীনের হিসাবে মিলেছে একাধিক এফডিআর, যেখানে কোটি কোটি টাকার ঘুরপাক। মনিরুল নিজেও মিরপুর ও উত্তরায় কিনেছেন অন্তত ৫০টি ফ্ল্যাট—অধিকাংশ স্ত্রী ও আত্মীয়দের নামে।

একজন দুদক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, “প্রাথমিকভাবে যা দেখা যাচ্ছে, এটি দুর্নীতি আর মানি লন্ডারিংয়ের ক্লাসিক কেস। এনজিওর নামে রোহিঙ্গা সহায়তার টাকা থেকে শুরু করে সরকারি প্রভাব খাটিয়ে সংগৃহীত ঘুষ—সব মিলেই অর্থের অজস্র স্রোত তৈরি হয়েছে।”

অভিযোগের সত্যতা যাচাই এখনও চলমান। তবে এতো পরিবারকেন্দ্রিক ‘সিন্ডিকেট’ কেবল দুর্নীতি নয়—বাংলাদেশের মানবিক সহায়তার ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, বলছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ফেভিকন

শ্যালক শ্যালিকা স্ত্রীসহ মিলেমিশে লুটেছেন হাজার হাজার কোটি টাকা

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com