1. 0shamimreza@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  2. dhakasangbad22@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  3. didar3639@gmail.com : Didarul Alam : Didarul Alam
  4. mdjubaerhossen614@gmail.com : নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোর জেলা প্রতিনিধি
  5. jannataraf10@gmail.com : Umme jannat : Umme jannat
  6. mdsahariyaridoy0@gmail.com : দৈনিক ঢাকা সংবাদ : দৈনিক ঢাকা সংবাদ
০৯:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে হাড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল call বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সাথে বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডিএসইর ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকা থেকে বাদ ডোরিন পাওয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার খুলনা সফরে গেলেন তারেক রহমান Un-Audited Financial Statements Third Quarter (Q3) of Bangladesh General Insurance Company PLC মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার:প্রধানমন্ত্রী ইবনে সিনার ৭৭% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা গাইবান্ধায় বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা বাগাতিপাড়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ায় পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বিরোধী

ঢাকা সংবাদ এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিকে দেশের স্বার্থবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। তিনি বলেছেন, নতুন সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানটি ইতিবাচক হলেও এই চুক্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান সবার পেছনে। দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে হলে এই চুক্তি বাতিল বা সংশোধন করা জরুরি।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাংলাদেশ এলডিসি গ্রাজুয়েশন ওয়াচ গ্রুপ’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় নির্বাচনের ঠিক আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সই করা ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’-এর বিভিন্ন দিক নিয়ে সমালোচনা করা হয়।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মূল বক্তব্য হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। কথাটি খুবই ইতিবাচক। কিন্তু নির্বাচনের ঠিক আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাক্ষর করা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’-এর যে অংশটি উন্মুক্ত করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ সবার পেছনে। এখন নতুন সরকার যদি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাস্তবায়ন করতে চায়, তাহলে এই চুক্তি বাতিল বা সংশোধন করা অতি জরুরি।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন– আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ এলডিসি ওয়াচ গ্রুপের কোঅর্ডিনেটর বরকত উল্লাহ মারুফ এবং সভাপতিত্ব করেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন।

ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, সংবিধান অনুযায়ী এই চুক্তি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে জাতীয় সংসদে উত্থাপন করে পাস করানোর বিধান আছে। চুক্তি হয়ে গেছে বলেই যে এটা এখনই বাস্তবায়ন হয়ে যাবে, তা নয়। দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি সম্পন্ন করা অপরাধের পর্যায়ে পড়ে উল্লেখ করে তিনি এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।

সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা বলেন, গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে সম্পাদিত যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ চুক্তিতে বাংলাদেশের প্রাপ্তি বলে কিছুই নেই। যা আছে তা-ও নানা ‘যদি-কিন্তু’ দিয়ে ভরা। অথচ এই চুক্তি সম্পন্ন করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মরিয়া হয়ে চেষ্টা করেছে।

মূল বক্তব্যে বরকত উল্লাহ মারুফ বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পর শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা ধরে রাখতে জাপান ও আমেরিকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি করা হয়েছে। কিন্তু এর ফলে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প খাতই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে কত পরিমাণ পোশাক আমদানি করবে বা শুল্ক আরোপ করবে কি না, তার সুস্পষ্ট উল্লেখ নেই। অথচ বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কত বিলিয়ন ডলারের মাছ, মাংস, কৃষিপণ্য, বোয়িং বিমান ও অস্ত্র আমদানি করতে বাধ্য হবে, তা উল্লেখ রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে জাকির হোসেন বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের চুক্তি করার আগে গোপনীয়তা পরিহার করে উন্মুক্ত আলোচনা করার জন্য আইন তৈরি করতে হবে। এলডিসি গ্রাজুয়েশন ওয়াচ এই বিষয়ে সামনে আরও আলোচনার উদ্যোগ নেবে।

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফেভিকন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বিরোধী

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৬৪ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বিরোধী

আপডেট সময় : ১২:২৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিকে দেশের স্বার্থবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। তিনি বলেছেন, নতুন সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানটি ইতিবাচক হলেও এই চুক্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান সবার পেছনে। দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে হলে এই চুক্তি বাতিল বা সংশোধন করা জরুরি।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাংলাদেশ এলডিসি গ্রাজুয়েশন ওয়াচ গ্রুপ’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় নির্বাচনের ঠিক আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সই করা ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’-এর বিভিন্ন দিক নিয়ে সমালোচনা করা হয়।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মূল বক্তব্য হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। কথাটি খুবই ইতিবাচক। কিন্তু নির্বাচনের ঠিক আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাক্ষর করা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’-এর যে অংশটি উন্মুক্ত করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ সবার পেছনে। এখন নতুন সরকার যদি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাস্তবায়ন করতে চায়, তাহলে এই চুক্তি বাতিল বা সংশোধন করা অতি জরুরি।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন– আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ এলডিসি ওয়াচ গ্রুপের কোঅর্ডিনেটর বরকত উল্লাহ মারুফ এবং সভাপতিত্ব করেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন।

ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, সংবিধান অনুযায়ী এই চুক্তি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে জাতীয় সংসদে উত্থাপন করে পাস করানোর বিধান আছে। চুক্তি হয়ে গেছে বলেই যে এটা এখনই বাস্তবায়ন হয়ে যাবে, তা নয়। দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি সম্পন্ন করা অপরাধের পর্যায়ে পড়ে উল্লেখ করে তিনি এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।

সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা বলেন, গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে সম্পাদিত যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ চুক্তিতে বাংলাদেশের প্রাপ্তি বলে কিছুই নেই। যা আছে তা-ও নানা ‘যদি-কিন্তু’ দিয়ে ভরা। অথচ এই চুক্তি সম্পন্ন করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মরিয়া হয়ে চেষ্টা করেছে।

মূল বক্তব্যে বরকত উল্লাহ মারুফ বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পর শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা ধরে রাখতে জাপান ও আমেরিকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি করা হয়েছে। কিন্তু এর ফলে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প খাতই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে কত পরিমাণ পোশাক আমদানি করবে বা শুল্ক আরোপ করবে কি না, তার সুস্পষ্ট উল্লেখ নেই। অথচ বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কত বিলিয়ন ডলারের মাছ, মাংস, কৃষিপণ্য, বোয়িং বিমান ও অস্ত্র আমদানি করতে বাধ্য হবে, তা উল্লেখ রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে জাকির হোসেন বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের চুক্তি করার আগে গোপনীয়তা পরিহার করে উন্মুক্ত আলোচনা করার জন্য আইন তৈরি করতে হবে। এলডিসি গ্রাজুয়েশন ওয়াচ এই বিষয়ে সামনে আরও আলোচনার উদ্যোগ নেবে।

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফেভিকন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বিরোধী

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com