বেনাপোল বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধে ন্যাপ’র শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রদান
শার্শা প্রতিনিধি – আজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস। আগামী ১৬ ডিসেম্বর পালিত হবে মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে জাতির মেরুদন্ড শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে পাক-হানাদারেরা নৃশংস ভাবে হত্যা করেছিল দেশের বুদ্ধিজীবিদেরকে। সেদিন থেকে দেশে পালিত হয়ে আসছে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতি বছর দেশের মানুষ শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে যথাযথ মর্যাদায় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রদান করে থাকে। কিন্তু ব্যাতিক্রম ঘটেছে শার্শা উপজেলাতে,এখানে কোন শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রদান করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়নি। দিবসটি পালনে শার্শা উপজেলা প্রশাসন এর পক্ষ থেকে তেমন কোন উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন অত্র উপজেলার নির্বাহী অফিসার নারায়ন চন্দ্র পাল।
এদিকে,বেনাপোল পোর্টথানাধীন কাগজপুকুর নামক স্থানে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি সৌধে পুস্পমাল্য অর্পণ করতে আসা বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি(ন্যাপ) বেনাপোল পৌর কমিটি’র সভাপতি আলী হোসেন বলেন, “অযত্ন অবহেলায় পার হলো শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস,সরকারি-বেসরকারী ভাবে নেওয়া হয়নি কোন কর্মসুচি ,তবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) বেনাপোল পৌর কমিটি’র পক্ষ থেকে বেনাপোল কাগজপুকুরের এই শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রদান করা হয়”।
সেখানে উপস্থিত বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)’র জেলা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ চৌধুরী বলেন, “আজ ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। পৃথিবীর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ চলছিল, তখন বাঙালি বুদ্ধিজীবী হত্যা ছিল নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ। জাতি যখন বিজয়ের খুব কাছে, সেই সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগিতায় রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে ধরে হত্যা করে। ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড চালায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। বাঙালি শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদরা এই সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হন”।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের শার্শা উপজেলা সহ স়ভাপতি- শুকুর আলী, বেনাপোল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক- ওহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টি নেতা- দেবুল কুমার দাস,বংশি লাল সরকার, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) ইউনিয়ন সভাপতি-
তাপস কুমার দে, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ফারুকুল ইসলাম,কাগজপুকুর বাজার কমিটির সভাপতি
আব্দুর রহমান। এ ছাড়াও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।











