দ্বিতীয় বারেও জয়ী চেয়ারম্যান পিকুল,শার্শা প্রতিনিধি সদস্য সালেহ আহম্মেদ মিন্টু
সাইবুর রহমান সুমন,স্টাফ রিপোর্টার:- সমগ্র দেশ জুড়ে আজ জেলা পরিষদ প্রতিনিধি পর্ষদ নির্বাচন-২০২২ এর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সারা দেশের ন্যায় যশোর জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়। সকাল ৯ টা থেকে শুরু করে বেলা ২ টা পর্যন্ত নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে এই ভোট গ্রহণ চলে। এবার জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীরা নির্দলীয় ভাবে নির্বাচনে অংশ নেন। নিজের মনপছন্দ মার্কা নিয়ে প্রার্থীরা নির্বাচন করেন।
সোমবার(১৭ অক্টোবর) শার্শা উপজেলা অডিটরিয়াম ভোট কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, যশোর জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতায় নামেন। বিদায়ী চেয়ারম্যান ও আ.লীগ নেতা-সাইফুজ্জামান পিকুল,তার মার্কা ছিল “ঘোড়া”। অপরপ্রার্থী বিকল্পধারার নেতা-মারুফ হোসেন কাজল,তার মার্কা ছিল—। দিনব্যাপি ভোট গ্রহণ শেষে বেসরকারী ভাবে ঘোষিত ফলাফলে জানা যায়, আ.লীগ নেতা ও সাবেক পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল সর্বোচ্চ ভোটে জয়ী হয়ে পুণরায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন।
অপরদিকে,সদস্যপদে শার্শায় ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতায় অংশ নেন। এরা হলেন-আ.লীগ নেতা আলহাজ্ব সালেহ আহম্মেদ মিন্টু,তার মার্কা ছিল “তালা”। অন্যজন,মোঃ শহিদুল আলম, তার মার্কা ছিল “”টিউবওয়েল”। “তালা”মার্কা প্রার্থী সালেহ আহম্মেদ মিন্টু সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে জয়ী হয়ে প্রতিনিধি সদস্য নির্বাচিত হন।
বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, প্রত্যেক জেলায় একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও ৫ জন সংরিক্ষত মহিলা সদস্য অর্থাৎ মোট ২১ সদস্যের পরিষদ গঠনে আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলার অধীনে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই কেবল এ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, জেলা পরিষদের এই নির্বাচন,সম্পূর্ণ সিসি ক্যামেরার আওতায় রাখা হয়,যা মনিটর করেন নির্বাচন কমিশন(ইসি)। ইসি’র তফসিল অনুযায়ী শনিবার(১৫ অক্টোবর) নির্বাচনের প্রচার-প্রচারনা শেষ হয়। নির্দলীয় এ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হয়।
এ নির্বাচনে এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ২৭ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে ৬৯ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৯ জন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন
জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৯৪ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তারা ভোটগ্রহণের আগে দুদিন, ভোট গ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরের দিন দায়িত্ব পালন করবেন।
জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য পদ ৪৬৩টি, সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য পদ ১৭২টি। চেয়ারম্যান পদ রয়েছে ৬১ টি।











