1. 0shamimreza@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  2. dhakasangbad22@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  3. didar3639@gmail.com : Didarul Alam : Didarul Alam
  4. mdjubaerhossen614@gmail.com : নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোর জেলা প্রতিনিধি
  5. jannataraf10@gmail.com : Umme jannat : Umme jannat
  6. mdsahariyaridoy0@gmail.com : দৈনিক ঢাকা সংবাদ : দৈনিক ঢাকা সংবাদ
০৭:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সাথে বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডিএসইর ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকা থেকে বাদ ডোরিন পাওয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার খুলনা সফরে গেলেন তারেক রহমান Un-Audited Financial Statements Third Quarter (Q3) of Bangladesh General Insurance Company PLC মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার:প্রধানমন্ত্রী ইবনে সিনার ৭৭% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা গাইবান্ধায় বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা বাগাতিপাড়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ায় পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে যুবককে মারধর ও মামলা, বিচার চেয়ে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

তুরস্কে শান্তি আলোচনা নিয়ে সন্দিহান ইউক্রেনের

তুরস্কে শান্তি আলোচনা নিয়ে সন্দিহান ইউক্রেনের

ঢাকা সংবাদ এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা সংবাদ প্রতিবেদনঃ তুরস্কে শান্তি আলোচনা চলাকালে মস্কো কিয়েভের আশপাশ ও চেরনিহিভে তাদের সামরিক অভিযান শিথিলের ঘোষণা দিলেও ভ্লাদিমির পুতিন সেই কথা রাখবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান ইউক্রেন।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর এই প্রথম দুই শহর কিয়েভ ও চেরনিহিভ থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় রাশিয়া। বার্তা সংন্থা রয়টার্রসের খবরে জানা গেছে, দুই শহরের কাছ থেকে সৈন্য সাময়িকভাবে সরালেও রাশিয়া সম্ভবত ইউক্রেনের অন্যান্য অংশে আক্রমণ আরও জোরদার করতে যাচ্ছে। পশ্চিমা কয়েকটি দেশ থেকে এমন আশঙ্কার কথা জানা যায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের কোনো দেশে হওয়া সবচেয়ে বড় এ হামলার এক মাসেরও বেশি সময় পর মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) ইস্তাম্বুলের এক প্রাসাদে রাশিয়া ও ইউক্রেনের আলোচকরা মুখোমুখি বসেছিলেন।

রাশিয়ার উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী আলেক্সান্ডার ফোমিন সাংবাদিকদের জানান, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি, আরও আলোচনার পরিবেশ সৃষ্টি এবং সমঝোতা ও চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্য অর্জনে কিয়েভ ও চেরনিহিভের দিকে সামরিক কর্মকাণ্ডের মাত্রা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ইউক্রেনের যেসব অংশে এখনো তুমুল লড়াই চলছে সেসব এলাকার বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।

এর পরই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লোদিমির জেলেনস্কি তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ইউক্রেনের জনগণ নির্বোধ নয়। হামলার ৩৪ দিনে এবং ডনবাসে গত ৮ বছরের যুদ্ধে তারা শিখেছে, কেবল সুনির্দিষ্ট ফলাফলের ওপরই আস্থা রাখা যায়। জেলেনস্কির মতো তার পশ্চিমা মিত্ররাও রাশিয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে।

ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ বলছেন, কিছু এলাকায় সামরিক অভিযানের তীব্রতা কমানোর প্রতিশ্রুতি সম্ভবত বিভিন্ন ইউনিটের পালাবদল ও অন্যদের বিভ্রান্ত করার লক্ষ্যে। এদিকে রাশিয়া অভিযোগ করে বলেছে, ইউক্রেনের বাহিনী বিভিন্ন শহরে অস্ত্রবিরতির সুযোগ নিয়ে পুনর্গঠিত হচ্ছে এবং হাসপাতাল ও স্কুলকে ব্যবহার করে সেসব স্থাপনা থেকে গুলি ছুড়ছে।

মঙ্গলবার পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কারবি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাশিয়া কিয়েভের আশপাশ থেকে খুবই সামান্য সংখ্যক সেনা সরানো শুরু করেছে। এ পদক্ষেপ পিছু হটা বা যুদ্ধ থেকে সরে যাওয়া না হয়ে জায়গা বদলও হওয়ার আশঙ্কাই বেশি। ইউক্রেনের অন্য এলাকাগুলোতে বড় ধরনের আক্রমণ দেখার জন্য আমাদের সবার প্রস্তুত থাকা দরকার।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গোয়েন্দা তথ্য বলছে, রাশিয়া সম্ভবত এখন অন্য এলাকাগুলো থেকে মনোযোগ সরিয়ে দোনেৎস্ক ও লুহানস্কে হামলা জোরদার করতে চাইছে।

এদিকে মস্কোর সমর্থন পাওয়া স্বঘোষিত দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, দোনেৎস্কের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার পরই তারা রাশিয়ার সঙ্গে একীভূত হওয়ার পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করে দেখবেন।

স্থল, সাগর ও আকাশপথে গেল ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেশী ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালায় রাশিয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের কোনো দেশে এমন বড় হামলার ঘটনা আগে ঘটেনি। প্রাথমিক যুদ্ধ পরিকল্পনা নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলো বলছিল, কিয়েভে ইউক্রেন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতেই এ অভিযান। ইউক্রেনকে ‘নিরস্ত্রীকরণ’ ও দেশটিকে ‘নাৎসিমুক্ত’ করার লক্ষ্য ‘সর্বাত্মক হামলা’ শুরু করেছিল রাশিয়া। এরই মধ্যে কয়েক হাজারের বেশি হতাহত হয়েছে। প্রায় ৪০ লাখ ইউক্রেইনীয় দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন; রাশিয়ার অর্থনীতিকেও পড়তে হয়েছে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার মুখে।

দৈনিক ঢাকা সংবাদ.কম/এসআর

আরও পড়ুন……

৩০ মার্চ ২০২২
ফেভিকন

তুরস্কে শান্তি আলোচনা নিয়ে সন্দিহান ইউক্রেনের

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২ ৫৯ বার পড়া হয়েছে

তুরস্কে শান্তি আলোচনা নিয়ে সন্দিহান ইউক্রেনের

আপডেট সময় : ০৩:৩০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২

ঢাকা সংবাদ প্রতিবেদনঃ তুরস্কে শান্তি আলোচনা চলাকালে মস্কো কিয়েভের আশপাশ ও চেরনিহিভে তাদের সামরিক অভিযান শিথিলের ঘোষণা দিলেও ভ্লাদিমির পুতিন সেই কথা রাখবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান ইউক্রেন।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর এই প্রথম দুই শহর কিয়েভ ও চেরনিহিভ থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় রাশিয়া। বার্তা সংন্থা রয়টার্রসের খবরে জানা গেছে, দুই শহরের কাছ থেকে সৈন্য সাময়িকভাবে সরালেও রাশিয়া সম্ভবত ইউক্রেনের অন্যান্য অংশে আক্রমণ আরও জোরদার করতে যাচ্ছে। পশ্চিমা কয়েকটি দেশ থেকে এমন আশঙ্কার কথা জানা যায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের কোনো দেশে হওয়া সবচেয়ে বড় এ হামলার এক মাসেরও বেশি সময় পর মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) ইস্তাম্বুলের এক প্রাসাদে রাশিয়া ও ইউক্রেনের আলোচকরা মুখোমুখি বসেছিলেন।

রাশিয়ার উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী আলেক্সান্ডার ফোমিন সাংবাদিকদের জানান, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি, আরও আলোচনার পরিবেশ সৃষ্টি এবং সমঝোতা ও চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্য অর্জনে কিয়েভ ও চেরনিহিভের দিকে সামরিক কর্মকাণ্ডের মাত্রা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ইউক্রেনের যেসব অংশে এখনো তুমুল লড়াই চলছে সেসব এলাকার বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।

এর পরই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লোদিমির জেলেনস্কি তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ইউক্রেনের জনগণ নির্বোধ নয়। হামলার ৩৪ দিনে এবং ডনবাসে গত ৮ বছরের যুদ্ধে তারা শিখেছে, কেবল সুনির্দিষ্ট ফলাফলের ওপরই আস্থা রাখা যায়। জেলেনস্কির মতো তার পশ্চিমা মিত্ররাও রাশিয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে।

ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ বলছেন, কিছু এলাকায় সামরিক অভিযানের তীব্রতা কমানোর প্রতিশ্রুতি সম্ভবত বিভিন্ন ইউনিটের পালাবদল ও অন্যদের বিভ্রান্ত করার লক্ষ্যে। এদিকে রাশিয়া অভিযোগ করে বলেছে, ইউক্রেনের বাহিনী বিভিন্ন শহরে অস্ত্রবিরতির সুযোগ নিয়ে পুনর্গঠিত হচ্ছে এবং হাসপাতাল ও স্কুলকে ব্যবহার করে সেসব স্থাপনা থেকে গুলি ছুড়ছে।

মঙ্গলবার পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কারবি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাশিয়া কিয়েভের আশপাশ থেকে খুবই সামান্য সংখ্যক সেনা সরানো শুরু করেছে। এ পদক্ষেপ পিছু হটা বা যুদ্ধ থেকে সরে যাওয়া না হয়ে জায়গা বদলও হওয়ার আশঙ্কাই বেশি। ইউক্রেনের অন্য এলাকাগুলোতে বড় ধরনের আক্রমণ দেখার জন্য আমাদের সবার প্রস্তুত থাকা দরকার।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গোয়েন্দা তথ্য বলছে, রাশিয়া সম্ভবত এখন অন্য এলাকাগুলো থেকে মনোযোগ সরিয়ে দোনেৎস্ক ও লুহানস্কে হামলা জোরদার করতে চাইছে।

এদিকে মস্কোর সমর্থন পাওয়া স্বঘোষিত দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, দোনেৎস্কের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার পরই তারা রাশিয়ার সঙ্গে একীভূত হওয়ার পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করে দেখবেন।

স্থল, সাগর ও আকাশপথে গেল ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেশী ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালায় রাশিয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের কোনো দেশে এমন বড় হামলার ঘটনা আগে ঘটেনি। প্রাথমিক যুদ্ধ পরিকল্পনা নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলো বলছিল, কিয়েভে ইউক্রেন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতেই এ অভিযান। ইউক্রেনকে ‘নিরস্ত্রীকরণ’ ও দেশটিকে ‘নাৎসিমুক্ত’ করার লক্ষ্য ‘সর্বাত্মক হামলা’ শুরু করেছিল রাশিয়া। এরই মধ্যে কয়েক হাজারের বেশি হতাহত হয়েছে। প্রায় ৪০ লাখ ইউক্রেইনীয় দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন; রাশিয়ার অর্থনীতিকেও পড়তে হয়েছে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার মুখে।

দৈনিক ঢাকা সংবাদ.কম/এসআর

আরও পড়ুন……

৩০ মার্চ ২০২২
ফেভিকন

তুরস্কে শান্তি আলোচনা নিয়ে সন্দিহান ইউক্রেনের

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com