1. 0shamimreza@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  2. dhakasangbad22@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  3. didar3639@gmail.com : Didarul Alam : Didarul Alam
  4. mdjubaerhossen614@gmail.com : নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোর জেলা প্রতিনিধি
  5. jannataraf10@gmail.com : Umme jannat : Umme jannat
  6. mdsahariyaridoy0@gmail.com : দৈনিক ঢাকা সংবাদ : দৈনিক ঢাকা সংবাদ
১০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সাথে বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডিএসইর ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকা থেকে বাদ ডোরিন পাওয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার খুলনা সফরে গেলেন তারেক রহমান Un-Audited Financial Statements Third Quarter (Q3) of Bangladesh General Insurance Company PLC মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার:প্রধানমন্ত্রী ইবনে সিনার ৭৭% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা গাইবান্ধায় বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা বাগাতিপাড়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ায় পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে যুবককে মারধর ও মামলা, বিচার চেয়ে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

টানা অষ্টমবারের মতো বিজয়ী হলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা

উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলবো: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা সংবাদ এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: টানা অষ্টমবারের মতো ভোটে জিতে নির্বাচিত হলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। এবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আসলে টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনি। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬২ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ হাসিনা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এক হাজার ভোটও পাননি। এই আসনে শেখ আবুল কালাম নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পেয়েছেন ৪৬৯ ভোট। সবগুলো কেন্দ্রের ফলাফলে টানা অষ্টমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন শেখ হাসিনা।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশকে বিশ্ববাসীর কাছে রোল মডেলে পরিচিত করার কুশলীও তিনি। ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’র খেতাব উড়িয়ে দিয়ে মধ্যম আয়ের দেশ থেকে আগামী ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ তৈরির কারিগর এই নেত্রী।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট গোটা পরিবার হত্যাকান্ডের শিকার হলেও শেখ হাসিনার কখনো দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা কমেনি। এরপর দীর্ঘ সময় পার করে দেশের আওয়ামী লীগের রাজনীতির হাল ধরেন তিনি। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মামলা-গ্রেপ্তারও হন শেখ হাসিনা। কিন্তু, থেমে থাকেননি। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর জয়ের মাধ্যমে শুরু হয় মহা উন্নয়নযজ্ঞ। এরপর টানা ক্ষমতায় থেকে দেশের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছে সরকার, যার কৃতিত্ব শেখ হাসিনার।

দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, অবকাঠামোর উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সম্প্রসারণ ও পাকাকরণ, শিক্ষা, চিকিৎসায় আমূল পরিবর্তন এসেছে, উন্নতি হয়েছে। অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে রেমিটেন্সে প্রণোদনা, পোশাকখাতে উন্নয়ন, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় কঠোর হস্তে কাজ করে চলেছেন শেখ হাসিনা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জঙ্গীবাদ দমন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কারণে এসব নেতিবাচক প্রভাব গত দেড় দশকেও চাড়া দিতে পারেনি। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রেরণ, নারীর ক্ষমতায়ন, সরকারি সেবা ডিজিটালাইজেশন, গ্রামীন পরিবেশেও শহুরে সেবা নিশ্চিত করেছে আওয়ামী লীগ তথা শেখ হাসিনা। সভাপতি হিসেবে নেতৃত্বে থাকায় আওয়ামী লীগের পুরো অংশই শেখ হাসিনার ওপর নির্ভরশীল।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকা দল আওয়ামী লীগের তৃণমূল থেকে শুরু করে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য পর্যন্ত নিজের তত্ত্বাবধানে দেখভাল করেন শেখ হাসিনা নিজেই। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে অনেক বড় বড় নেতাকেও অপসারণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে যে সংগঠন চলে সেখানে দেশ তথা দেশের মানুষের সুন্দর ভবিষ্যত নিশ্চিতেও বদ্ধপরিকর আওয়ামী লীগ তথা শেখ হাসিনা।

গত তিনবার ক্ষমতায় থেকে শেখ হাসিনা পৃথিবীর বুকে নতুন করে বাংলাদেশকে চিনিয়েছেন। মেগাসিটি ঢাকায় মেট্রোরেল, চট্টগ্রামে কর্ণফুলি টানেল, রূপপরে পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র (চলমান) তার হাতেই গড়ে উঠেছে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ এর প্রক্রিয়াও চলমান।

প্রমত্তা পদ্মার বুকে ৬ কিলোমিটারের বেশি দৈর্ঘ্যের পদ্মাসেতু তৈরি ছিল স্বপ্ন। কিন্তু, সকল অপবাদ উড়িয়ে দিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু তৈরির সাহস একমাত্র শেখ হাসিনাকে দিয়েই সম্ভব হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধারাবাহিক উন্নয়নের মাধ্যমে সহিংসতার পরিমান শূণ্যের কোটায় নামিয়ে এনেছেন শেখ হাসিনা। তার দার্শনিক নেতৃত্বেই দেশের ভবিষ্যত উজ্জ্বল; এ কথা বিজ্ঞজনেরাও স্বীকার করেন।

বিচ্ছিন্ন কিছু বিষয় বা ঘটনা ছাড়া গত তিনবার ক্ষমতায় থাকা দলটি দেশের আমূল পরিবর্তন করে উন্নয়নের মহাসড়কে ধাবমান। এবার ক্ষমতায় গেলে শেখ হাসিনার গুরুত্বপূর্ণ কিছু দায়িত্ব পূর্ণ করতে হবে। এর প্রথমটিই হচ্ছে, দুর্নীতি বন্ধ করা। ব্যাংকিং কিংবা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন করা। একচেটিয়া ব্যবসা বা সিন্ডিকেট বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা। বাজার ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। প্রান্তিক পর্যায়ের প্রতিটি কৃষক এবং ভোক্তার যোগসাজস নিশ্চিত করা। চাঁদাবাজ, দালাল-ফরিয়া কিংবা মধ্যসত্বভোগীদের উৎপাত বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা ইত্যাদি। সোনার বাংলার স্বপ্ন পূরণে এগুলোই এখন প্রধান বাধা। চতুর্থবার ক্ষমতায় আসীন হয়ে উক্ত বিষয়গুলো বঙ্গবন্ধু কন্যা অধিক গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবেন বলেই দেশবাসী বিশ্বাস করে। কারণ, শেখ হাসিনা অপরাজেয়, অপ্রতিদ্বন্দ্বী এবং অপ্রতিরোধ্য।

০৭ জানুয়ারি ২০২৪
ফেভিকন

টানা অষ্টমবারের মতো বিজয়ী হলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৪ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

টানা অষ্টমবারের মতো বিজয়ী হলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা

আপডেট সময় : ০৯:০৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: টানা অষ্টমবারের মতো ভোটে জিতে নির্বাচিত হলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। এবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আসলে টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনি। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬২ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ হাসিনা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এক হাজার ভোটও পাননি। এই আসনে শেখ আবুল কালাম নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পেয়েছেন ৪৬৯ ভোট। সবগুলো কেন্দ্রের ফলাফলে টানা অষ্টমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন শেখ হাসিনা।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশকে বিশ্ববাসীর কাছে রোল মডেলে পরিচিত করার কুশলীও তিনি। ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’র খেতাব উড়িয়ে দিয়ে মধ্যম আয়ের দেশ থেকে আগামী ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ তৈরির কারিগর এই নেত্রী।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট গোটা পরিবার হত্যাকান্ডের শিকার হলেও শেখ হাসিনার কখনো দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা কমেনি। এরপর দীর্ঘ সময় পার করে দেশের আওয়ামী লীগের রাজনীতির হাল ধরেন তিনি। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মামলা-গ্রেপ্তারও হন শেখ হাসিনা। কিন্তু, থেমে থাকেননি। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর জয়ের মাধ্যমে শুরু হয় মহা উন্নয়নযজ্ঞ। এরপর টানা ক্ষমতায় থেকে দেশের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছে সরকার, যার কৃতিত্ব শেখ হাসিনার।

দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, অবকাঠামোর উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সম্প্রসারণ ও পাকাকরণ, শিক্ষা, চিকিৎসায় আমূল পরিবর্তন এসেছে, উন্নতি হয়েছে। অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে রেমিটেন্সে প্রণোদনা, পোশাকখাতে উন্নয়ন, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় কঠোর হস্তে কাজ করে চলেছেন শেখ হাসিনা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জঙ্গীবাদ দমন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কারণে এসব নেতিবাচক প্রভাব গত দেড় দশকেও চাড়া দিতে পারেনি। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রেরণ, নারীর ক্ষমতায়ন, সরকারি সেবা ডিজিটালাইজেশন, গ্রামীন পরিবেশেও শহুরে সেবা নিশ্চিত করেছে আওয়ামী লীগ তথা শেখ হাসিনা। সভাপতি হিসেবে নেতৃত্বে থাকায় আওয়ামী লীগের পুরো অংশই শেখ হাসিনার ওপর নির্ভরশীল।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকা দল আওয়ামী লীগের তৃণমূল থেকে শুরু করে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য পর্যন্ত নিজের তত্ত্বাবধানে দেখভাল করেন শেখ হাসিনা নিজেই। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে অনেক বড় বড় নেতাকেও অপসারণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে যে সংগঠন চলে সেখানে দেশ তথা দেশের মানুষের সুন্দর ভবিষ্যত নিশ্চিতেও বদ্ধপরিকর আওয়ামী লীগ তথা শেখ হাসিনা।

গত তিনবার ক্ষমতায় থেকে শেখ হাসিনা পৃথিবীর বুকে নতুন করে বাংলাদেশকে চিনিয়েছেন। মেগাসিটি ঢাকায় মেট্রোরেল, চট্টগ্রামে কর্ণফুলি টানেল, রূপপরে পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র (চলমান) তার হাতেই গড়ে উঠেছে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ এর প্রক্রিয়াও চলমান।

প্রমত্তা পদ্মার বুকে ৬ কিলোমিটারের বেশি দৈর্ঘ্যের পদ্মাসেতু তৈরি ছিল স্বপ্ন। কিন্তু, সকল অপবাদ উড়িয়ে দিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু তৈরির সাহস একমাত্র শেখ হাসিনাকে দিয়েই সম্ভব হয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধারাবাহিক উন্নয়নের মাধ্যমে সহিংসতার পরিমান শূণ্যের কোটায় নামিয়ে এনেছেন শেখ হাসিনা। তার দার্শনিক নেতৃত্বেই দেশের ভবিষ্যত উজ্জ্বল; এ কথা বিজ্ঞজনেরাও স্বীকার করেন।

বিচ্ছিন্ন কিছু বিষয় বা ঘটনা ছাড়া গত তিনবার ক্ষমতায় থাকা দলটি দেশের আমূল পরিবর্তন করে উন্নয়নের মহাসড়কে ধাবমান। এবার ক্ষমতায় গেলে শেখ হাসিনার গুরুত্বপূর্ণ কিছু দায়িত্ব পূর্ণ করতে হবে। এর প্রথমটিই হচ্ছে, দুর্নীতি বন্ধ করা। ব্যাংকিং কিংবা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন করা। একচেটিয়া ব্যবসা বা সিন্ডিকেট বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা। বাজার ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। প্রান্তিক পর্যায়ের প্রতিটি কৃষক এবং ভোক্তার যোগসাজস নিশ্চিত করা। চাঁদাবাজ, দালাল-ফরিয়া কিংবা মধ্যসত্বভোগীদের উৎপাত বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা ইত্যাদি। সোনার বাংলার স্বপ্ন পূরণে এগুলোই এখন প্রধান বাধা। চতুর্থবার ক্ষমতায় আসীন হয়ে উক্ত বিষয়গুলো বঙ্গবন্ধু কন্যা অধিক গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবেন বলেই দেশবাসী বিশ্বাস করে। কারণ, শেখ হাসিনা অপরাজেয়, অপ্রতিদ্বন্দ্বী এবং অপ্রতিরোধ্য।

০৭ জানুয়ারি ২০২৪
ফেভিকন

টানা অষ্টমবারের মতো বিজয়ী হলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com