অভিনেত্রী হতে চাননি রানী মুখার্জি
ঢাকা সংবাদ প্রতিবেদনঃ শুধু নামেই নয়। কাজের দিক দিয়েও তিনি ‘রানি’। নব্বই দশক থেকে শুরু করে ২০০০ সালের পরবর্তী সময় ক্যারিয়ারে যোগ করেছেন একের পর এক হিট সিনেমা। তাকে বলিউডের ‘রানি’ বললেও ভুল হবে না। বলিউডে রানী মুখার্জি পার করেছেন ২৬টি বছর। জন্মদিনেই বলিউডে পা রেখেছিলেন তিনি। বাবা রাম মুখার্জি ছিলেন
মা কৃষ্ণা মুখার্জি সিনেমায় গান করতেন। তাই বলাই যায় সিনেমার আবহেই তার বেড়ে ওঠা। তারপরও নাকি অভিনেত্রী হতে চাননি তিনি। তিনি বলতেন, ‘যেহেতু বাড়িতে সিনেমার এত মানুষ, আমি বরং অন্য কিছু হই’। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অভিনয়ের কাছেই আত্মসমর্পণ করতে হল!
২১ মার্চ এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর জন্মদিন। ১৯৭৮ সালের এই দিনে তিনি মুম্বাইতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ১৮ বছর বয়সে রানী মুখার্জি তার বাবা পরিচালিত বাংলা ভাষার ‘বিয়ের ফুল’ চলচ্চিত্রে সহ-চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে সিনেমায় আসেন। এরপর তার মায়ের অনুরোধে ‘রাজা কি আয়েগি বারাত’ সামাজিক নাট্য চলচ্চিত্রে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেন।
রানীর ব্যস্ততা শুরু হয় ১৯৯৮ সালে। আমির খানের সঙ্গে ‘গোলাম’ সিনেমায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান। সিনেমাটি বক্স অফিসেও সফল হয়। একই বছর শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ সিনেমায় অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়ে যান। পেয়ে যান সহ-অভিনেত্রী হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার।
এরপর থেকে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এখনো দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে যাচ্ছেন রানী মুখার্জি। ক্যারিয়ারে রানী মুখার্জি বহু পুরস্কার-সম্মাননা পেয়েছেন। এর মধ্যে সাতবার ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড, তিনবার আইফা অ্যাওয়ার্ড, সাতবার স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড, চারবার জি সিনে অ্যাওয়ার্ড অন্যতম।
দৈনিক ঢাকা সংবাদ.কম/এসআর
আরও পড়ুন……











