1. 0shamimreza@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  2. dhakasangbad22@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  3. didar3639@gmail.com : Didarul Alam : Didarul Alam
  4. mdjubaerhossen614@gmail.com : নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোর জেলা প্রতিনিধি
  5. jannataraf10@gmail.com : Umme jannat : Umme jannat
  6. mdsahariyaridoy0@gmail.com : দৈনিক ঢাকা সংবাদ : দৈনিক ঢাকা সংবাদ
১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে হাড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল call বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সাথে বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডিএসইর ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকা থেকে বাদ ডোরিন পাওয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার খুলনা সফরে গেলেন তারেক রহমান Un-Audited Financial Statements Third Quarter (Q3) of Bangladesh General Insurance Company PLC মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার:প্রধানমন্ত্রী ইবনে সিনার ৭৭% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা গাইবান্ধায় বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা বাগাতিপাড়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ায় পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ : ঝুঁকিপূর্ণ ধারা বহালে টিআইবির উদ্বেগ

ঢাকা সংবাদ এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশে বৈষম্যমূলক কমিশন গঠনে সহায়ক এবং স্বাধীন কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতার ঝুঁকি রয়েছে- এমন ধারাগুলো অব্যাহত থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

রোববার (২ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সংস্থাটি পাশাপাশি জন্মলগ্ন থেকে এই কমিশনের অকার্যকরতার অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে খসড়ার ওপর টিআইবিসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজন যে সুপারিশ ও মতামত প্রদান করেছে, তার অনেকগুলোই প্রশংসনীয়ভাবে অনুমোদিত খসড়ায় প্রতিফলিত হয়েছে বিধায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রতিষ্ঠানটির সৃষ্টিলগ্নে যে মৌলিক দুর্বলতার বীজ বপন করা হয়েছিল, তা চিরকাল কেন অব্যাহত রাখতে হবে, তা বোধগম্য নয়। অধ্যাদেশে কমিশনের চেয়ারপারসনসহ ৭ জন সদস্যের মধ্যে ২ জন সদস্যকে খণ্ডকালীন নিয়োগের যে বিধান রাখা হয়েছে, তা বৈষম্যমূলক ও কমিশনের উভয় শ্রেণির সদস্যবৃন্দের জন্য বিব্রতকর, যা প্রতিষ্ঠানটির অকার্যকরতার অন্যতম উপাদান হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। কার্যক্রম পরিচালনায় কমিশন সদস্যদের মধ্যে মর্যাদা ও এখতিয়ারের বৈষম্য নিরসনের পাশাপাশি গতিশীলতা ও কার্যকরতা নিশ্চিতে এই বিধানটির সংশোধন জরুরি। একই সঙ্গে সকল কমিশনারের পদমর্যাদার সমতা, সমপর্যায়ের বেতন-ভাতা-সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা এবং তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য সুনির্দিষ্ট করতে হবে।

তিনি বলেন, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় চেয়ারপারসন ও কমিশনার বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর নাম-পরিচয়সহ প্রাথমিক বাছাইকৃত প্রার্থীদের এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশকৃত ব্যক্তিদের তালিকা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশের বিধানের সুপারিশ করা হলেও, তা অগ্রাহ্য করা হয়েছে। তা ছাড়া কোনো সংস্থার আটকস্থল যদি কমিশনের নিকট আইনবহির্ভূত বলে বিবেচিত হয়, তবে তা বন্ধ করা ও দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহি নিশ্চিতের সুপারিশও গৃহীত হয়নি, যা হতাশাজনক।

কোনো আইন, যার বিধানসমূহ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানবাধিকার সংরক্ষণের পরিপন্থি, কমিশনকে তা পর্যালোচনা ও সংশোধনের জন্য সরকারকে সুপারিশের বিধান যুক্ত করার মতামত প্রদান করা হলেও, তা বিবেচিত হয়নি উল্লেখ করে ড. জামান বলেন, মানবাধিকারসংক্রান্ত অন্য কোনো আইন এই আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে এই আইন প্রাধান্য পাবে- ধারা ১৪-এর সঙ্গে এই অংশটুকু উল্লেখ করা হলে, ভবিষ্যতে মানবাধিকার প্রশ্নে আইনগত সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করে কমিশন কর্তৃক মানবাধিকার সুরক্ষার প্রতিবন্ধকতা দূর করা সহজতর হবে; অথচ অধ্যাদেশে তার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, ঢালাওভাবে সকল অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রাথমিক অনুসন্ধান বাধ্যতামূলক না করে অভিযোগ আমলযোগ্য বিবেচিত হলে সরাসরি তদন্তের আদেশ প্রযোজ্য হওয়ার যে সুপারিশ করা হয়েছিল, তা গৃহীত হয়নি। এর ফলে কমিশনের কাজে অযথা দীর্ঘসূত্রিতা সৃষ্টি হবে এবং ক্ষেত্রবিশেষে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তির হয়রানি বাড়বে ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তির সম্ভাবনা দুরূহ হবে।

প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্মচারীকে কমিশনে বা কমিশনের তদন্ত দলে প্রেষণে নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশে সীমিত করা এবং এ ধরনের পদে নিয়োগপ্রক্রিয়া সকলের জন্য উন্মুক্ত, স্পষ্ট, স্বচ্ছ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হবে- এই বিধান যুক্ত করার সুপারিশ করা হলেও, তা বিবেচনা করা হয়নি বলে দাবি করেছে টিআইবি।

একইভাবে বিবেচিত হয়নি- কোনো সরকারি কর্মচারীকে প্রেষণে নিয়োগের জন্য প্রস্তাব করা হলে, সেক্ষেত্রে কমিশনের দ্বিমত থাকলে তা প্রত্যাখ্যানের সুযোগের বিধান করার সুপারিশও। তা ছাড়া কমিশনের আয়-ব্যয়ের হিসাবের ওপর পরিচালিত বার্ষিক অডিট সম্পন্নের পর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশের ধারাও অধ্যাদেশে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত বলে মনে করে সংস্থাটি।

০৩ নভেম্বর ২০২৫
ফেভিকন

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ : ঝুঁকিপূর্ণ ধারা বহালে টিআইবির উদ্বেগ

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫ ৭৪ বার পড়া হয়েছে

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ : ঝুঁকিপূর্ণ ধারা বহালে টিআইবির উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশে বৈষম্যমূলক কমিশন গঠনে সহায়ক এবং স্বাধীন কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতার ঝুঁকি রয়েছে- এমন ধারাগুলো অব্যাহত থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

রোববার (২ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সংস্থাটি পাশাপাশি জন্মলগ্ন থেকে এই কমিশনের অকার্যকরতার অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে খসড়ার ওপর টিআইবিসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজন যে সুপারিশ ও মতামত প্রদান করেছে, তার অনেকগুলোই প্রশংসনীয়ভাবে অনুমোদিত খসড়ায় প্রতিফলিত হয়েছে বিধায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রতিষ্ঠানটির সৃষ্টিলগ্নে যে মৌলিক দুর্বলতার বীজ বপন করা হয়েছিল, তা চিরকাল কেন অব্যাহত রাখতে হবে, তা বোধগম্য নয়। অধ্যাদেশে কমিশনের চেয়ারপারসনসহ ৭ জন সদস্যের মধ্যে ২ জন সদস্যকে খণ্ডকালীন নিয়োগের যে বিধান রাখা হয়েছে, তা বৈষম্যমূলক ও কমিশনের উভয় শ্রেণির সদস্যবৃন্দের জন্য বিব্রতকর, যা প্রতিষ্ঠানটির অকার্যকরতার অন্যতম উপাদান হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। কার্যক্রম পরিচালনায় কমিশন সদস্যদের মধ্যে মর্যাদা ও এখতিয়ারের বৈষম্য নিরসনের পাশাপাশি গতিশীলতা ও কার্যকরতা নিশ্চিতে এই বিধানটির সংশোধন জরুরি। একই সঙ্গে সকল কমিশনারের পদমর্যাদার সমতা, সমপর্যায়ের বেতন-ভাতা-সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা এবং তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য সুনির্দিষ্ট করতে হবে।

তিনি বলেন, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় চেয়ারপারসন ও কমিশনার বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর নাম-পরিচয়সহ প্রাথমিক বাছাইকৃত প্রার্থীদের এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশকৃত ব্যক্তিদের তালিকা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশের বিধানের সুপারিশ করা হলেও, তা অগ্রাহ্য করা হয়েছে। তা ছাড়া কোনো সংস্থার আটকস্থল যদি কমিশনের নিকট আইনবহির্ভূত বলে বিবেচিত হয়, তবে তা বন্ধ করা ও দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহি নিশ্চিতের সুপারিশও গৃহীত হয়নি, যা হতাশাজনক।

কোনো আইন, যার বিধানসমূহ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানবাধিকার সংরক্ষণের পরিপন্থি, কমিশনকে তা পর্যালোচনা ও সংশোধনের জন্য সরকারকে সুপারিশের বিধান যুক্ত করার মতামত প্রদান করা হলেও, তা বিবেচিত হয়নি উল্লেখ করে ড. জামান বলেন, মানবাধিকারসংক্রান্ত অন্য কোনো আইন এই আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে এই আইন প্রাধান্য পাবে- ধারা ১৪-এর সঙ্গে এই অংশটুকু উল্লেখ করা হলে, ভবিষ্যতে মানবাধিকার প্রশ্নে আইনগত সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করে কমিশন কর্তৃক মানবাধিকার সুরক্ষার প্রতিবন্ধকতা দূর করা সহজতর হবে; অথচ অধ্যাদেশে তার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, ঢালাওভাবে সকল অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রাথমিক অনুসন্ধান বাধ্যতামূলক না করে অভিযোগ আমলযোগ্য বিবেচিত হলে সরাসরি তদন্তের আদেশ প্রযোজ্য হওয়ার যে সুপারিশ করা হয়েছিল, তা গৃহীত হয়নি। এর ফলে কমিশনের কাজে অযথা দীর্ঘসূত্রিতা সৃষ্টি হবে এবং ক্ষেত্রবিশেষে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তির হয়রানি বাড়বে ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তির সম্ভাবনা দুরূহ হবে।

প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্মচারীকে কমিশনে বা কমিশনের তদন্ত দলে প্রেষণে নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশে সীমিত করা এবং এ ধরনের পদে নিয়োগপ্রক্রিয়া সকলের জন্য উন্মুক্ত, স্পষ্ট, স্বচ্ছ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হবে- এই বিধান যুক্ত করার সুপারিশ করা হলেও, তা বিবেচনা করা হয়নি বলে দাবি করেছে টিআইবি।

একইভাবে বিবেচিত হয়নি- কোনো সরকারি কর্মচারীকে প্রেষণে নিয়োগের জন্য প্রস্তাব করা হলে, সেক্ষেত্রে কমিশনের দ্বিমত থাকলে তা প্রত্যাখ্যানের সুযোগের বিধান করার সুপারিশও। তা ছাড়া কমিশনের আয়-ব্যয়ের হিসাবের ওপর পরিচালিত বার্ষিক অডিট সম্পন্নের পর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশের ধারাও অধ্যাদেশে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত বলে মনে করে সংস্থাটি।

০৩ নভেম্বর ২০২৫
ফেভিকন

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ : ঝুঁকিপূর্ণ ধারা বহালে টিআইবির উদ্বেগ

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com