1. 0shamimreza@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  2. dhakasangbad22@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  3. didar3639@gmail.com : Didarul Alam : Didarul Alam
  4. mdjubaerhossen614@gmail.com : নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোর জেলা প্রতিনিধি
  5. jannataraf10@gmail.com : Umme jannat : Umme jannat
  6. mdsahariyaridoy0@gmail.com : দৈনিক ঢাকা সংবাদ : দৈনিক ঢাকা সংবাদ
০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সাথে বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডিএসইর ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকা থেকে বাদ ডোরিন পাওয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার খুলনা সফরে গেলেন তারেক রহমান Un-Audited Financial Statements Third Quarter (Q3) of Bangladesh General Insurance Company PLC মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার:প্রধানমন্ত্রী ইবনে সিনার ৭৭% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা গাইবান্ধায় বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা বাগাতিপাড়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ায় পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে যুবককে মারধর ও মামলা, বিচার চেয়ে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি’র উদ্যোগে বেনাপোলে “যশোর মুক্তি দিবস উদযাপণ

বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি’র উদ্যোগে বেনাপোলে “যশোর মুক্তি দিবস উদযাপণ

ঢাকা সংবাদ এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার:-মহান মুক্তিযুদ্ধের গর্বিত দিন ৬ ডিসেম্বর “যশোর মুক্ত দিবস” এবং ভারত সরকার কর্তৃক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান এর অমর দিনের স্মরণে বেনাপোলে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক সংগঠন “বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি”( ন্যাপ) বেনাপোল ইউনিয়ন কমিটি এই সভার আয়োজন করে। এ ছাড়াও দলটির পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

মঙ্গলবার(৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৩ টায় যশোর জেলাধীন শার্শা উপজেলার বন্দর নগরী বেনাপোল বাজারস্থ চেয়ারম্যান মার্কেটের ২য় তলায় অবস্থিত “একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল” কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি(ন্যাপ)’র বেনাপোল ইউনিয়ন কমিটি’র সভাপতি তাপস কুমার দে।

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,আলতাফ চৌধুরী,সভাপতি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি( ন্যাপ),যশোর জেলা শাখা।

বিশেষ অতিথি বর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,ওহিদুল ইসলাম,সভাপতি,একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,নজরুল ইসলাম সহঃ সভাপতি,একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,সুমন হোসাইন সাধারণ সম্পাদক,একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,মোঃ সাইবুর রহমান সুমন (সাংগঠনিক সম্পাদক),মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মারুফ(অর্থ সম্পাদক),মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন(প্রচার সম্পাদক),মোঃ জমির হোসেন(ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক),মোঃ ইকবাল হোসেন(সহ: ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক),মোঃ মুরাদ হোসেন(সহঃ প্রচার সম্পাদক),
একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,দেবুল কুমার দাস,নির্বাহী সদস্য,বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টি(সিপিবি),শার্শা উপজেলা শাখা,শুকুর আলী সিনিয়র সহ: সভাপতি,বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিকলীগ,শার্শা উপজেলা কমিটি,আলী হোসেন সভাপতি,বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি(ন্যাপ),বেনাপোল পৌর শাখা, আব্দুর রহিম(কার্যকরী সদস্য),মোঃ রাব্বি খান(সদস্য) মোঃ সাহিদুল ইসলাম শাহীন(সদস্য),মোঃ জিল্লুর রহমান ডাবলু(সদস্য),মোঃ নজরুল ইসলাম(সদস্য),একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল।

সভাপতির স্বাগতিক বক্তব্য শেষে আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রধান ব্ক্তা-আলতাফ চৌধুরী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৬ ডিসেম্বর সর্বপ্রথম “যশোর মুক্তি দিবস” এর কথা তুলে ধরে বলেন, “১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়েছিল দেশের প্রাচীনতম এই জেলা শহর যশোর। এদিন দুপুরের পরপরই যশোর সেনানিবাস ছেড়ে পালিয়ে যায় হানাদারেরা, প্রথম শত্রুমুক্ত হয় যশোর জেলা। যশোরেই প্রথম উঠেছিল বিজয়ী বাংলাদেশের রক্ত সূর্যখচিত গাঁঢ় সবুজ পতাকা। ১৯৭১ সালের ৩, ৪ ও ৫ ডিসেম্বর যশোর অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়। এসময় মিত্রবাহিনীও সীমান্ত এলাকা থেকে যশোর সেনানিবাসসহ পাকিস্তানি সেনাদের বিভিন্ন স্থাপনায় বিমান হামলা ও গোলা নিক্ষেপ করে, একপর্যায়ে কোণঠাসা হয়ে পাকিস্তানিরা ৫ ডিসেম্বর থেকে পলায়ন শুরু করে, যশোর সেনানিবাস ছেড়ে তারা খুলনার গিলাতলা সেনানিবাসের দিকে পালিয়ে যেতে থাকে।

৬ ডিসেম্বর বিকালের দিকে যশোর সেনানিবাস খালি করে পালিয়ে যায় হানাদারেরা। পরে মিত্রবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল বারাতের নেতৃত্বে মিত্র ও মুক্তিবাহিনী যশোর সেনানিবাসে প্রবেশ করে দখল নেয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মুক্তির আনন্দে উচ্ছ্বসিত মুক্তিযোদ্ধা-জনতার ঢল নামে যশোর শহরে। পাড়া মহল্লায়ও চলে খণ্ড খণ্ড আনন্দ মিছিল, মুক্তির আনন্দে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানে ফেটে পড়ে গোটা জেলার মানুষ”।

উল্লেখ্য, উত্তাল ৭১’র যুদ্ধপ্রস্তুতিকালে ৩ মার্চ যশোর কালেক্টরেট কার্যালয়ের সামনে শহরের রাজপথে বের হয় জঙ্গি মিছিল, যশোরবাসী শপথ নেয় স্বাধীনতা যুদ্ধের। এই মিছিলে হানাদার বাহিনী গুলি চালালে শহীদ হন চারুবালা কর। স্বাধীনতা সংগ্রামে তিনিই যশোরের প্রথম শহীদ। এরপর থেকেই যশোরে সংগঠিত হতে থাকে প্রতিরোধ। নেতৃত্ব দেয় সংগ্রাম পরিষদ। সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হতে থাকে ছাত্র, যুবক ও নারীদের। ২৬শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তদানীন্তন সংসদ সদস্য মশিয়ূর রহমানকে তার বাসভবন থেকে ধরে যশোর সেনানিবাসে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

আলোচনা অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা এবং উপস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন সিপিবি নেতা সাংবাদিক দেবুল কুমার দাস।

ন্যাপ’র উদ্যোগে বেনাপোলে “যশোর মুক্তি দিবস উদযাপণমোঃ সাহিদুল ইসলাম শাহীন,স্টাফ রিপোর্টার:-মহান মুক্তিযুদ্ধের গর্বিত দিন ৬ ডিসেম্বর “যশোর মুক্ত দিবস” এবং ভারত সরকার কর্তৃক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান এর অমর দিনের স্মরণে বেনাপোলে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক সংগঠন “বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি”( ন্যাপ) বেনাপোল ইউনিয়ন কমিটি এই সভার আয়োজন করে। এ ছাড়াও দলটির পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।মঙ্গলবার(৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৩ টায় যশোর জেলাধীন শার্শা উপজেলার বন্দর নগরী বেনাপোল বাজারস্থ চেয়ারম্যান মার্কেটের ২য় তলায় অবস্থিত “একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল” কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি(ন্যাপ)’র বেনাপোল ইউনিয়ন কমিটি’র সভাপতি তাপস কুমার দে।প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,আলতাফ চৌধুরী,সভাপতি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি( ন্যাপ),যশোর জেলা শাখা।বিশেষ অতিথি বর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,ওহিদুল ইসলাম,সভাপতি,একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,নজরুল ইসলাম সহঃ সভাপতি,একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,সুমন হোসাইন সাধারণ সম্পাদক,একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,মোঃ সাইবুর রহমান সুমন (সাংগঠনিক সম্পাদক),মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মারুফ(অর্থ সম্পাদক),মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন(প্রচার সম্পাদক),মোঃ জমির হোসেন(ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক),মোঃ ইকবাল হোসেন(সহ: ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক),মোঃ মুরাদ হোসেন(সহঃ প্রচার সম্পাদক),একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,দেবুল কুমার দাস,নির্বাহী সদস্য,বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টি(সিপিবি),শার্শা উপজেলা শাখা,শুকুর আলী সিনিয়র সহ: সভাপতি,বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিকলীগ,শার্শা উপজেলা কমিটি,আলী হোসেন সভাপতি,বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি(ন্যাপ),বেনাপোল পৌর শাখা, আব্দুর রহিম(কার্যকরী সদস্য),মোঃ রাব্বি খান(সদস্য) মোঃ সাহিদুল ইসলাম শাহীন(সদস্য),মোঃ জিল্লুর রহমান ডাবলু(সদস্য),মোঃ নজরুল ইসলাম(সদস্য),একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল।সভাপতির স্বাগতিক বক্তব্য শেষে আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রধান ব্ক্তা-আলতাফ চৌধুরী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৬ ডিসেম্বর সর্বপ্রথম “যশোর মুক্তি দিবস” এর কথা তুলে ধরে বলেন, “১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়েছিল দেশের প্রাচীনতম এই জেলা শহর যশোর। এদিন দুপুরের পরপরই যশোর সেনানিবাস ছেড়ে পালিয়ে যায় হানাদারেরা, প্রথম শত্রুমুক্ত হয় যশোর জেলা। যশোরেই প্রথম উঠেছিল বিজয়ী বাংলাদেশের রক্ত সূর্যখচিত গাঁঢ় সবুজ পতাকা। ১৯৭১ সালের ৩, ৪ ও ৫ ডিসেম্বর যশোর অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়। এসময় মিত্রবাহিনীও সীমান্ত এলাকা থেকে যশোর সেনানিবাসসহ পাকিস্তানি সেনাদের বিভিন্ন স্থাপনায় বিমান হামলা ও গোলা নিক্ষেপ করে, একপর্যায়ে কোণঠাসা হয়ে পাকিস্তানিরা ৫ ডিসেম্বর থেকে পলায়ন শুরু করে, যশোর সেনানিবাস ছেড়ে তারা খুলনার গিলাতলা সেনানিবাসের দিকে পালিয়ে যেতে থাকে।৬ ডিসেম্বর বিকালের দিকে যশোর সেনানিবাস খালি করে পালিয়ে যায় হানাদারেরা। পরে মিত্রবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল বারাতের নেতৃত্বে মিত্র ও মুক্তিবাহিনী যশোর সেনানিবাসে প্রবেশ করে দখল নেয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মুক্তির আনন্দে উচ্ছ্বসিত মুক্তিযোদ্ধা-জনতার ঢল নামে যশোর শহরে। পাড়া মহল্লায়ও চলে খণ্ড খণ্ড আনন্দ মিছিল, মুক্তির আনন্দে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানে ফেটে পড়ে গোটা জেলার মানুষ”।উল্লেখ্য, উত্তাল ৭১’র যুদ্ধপ্রস্তুতিকালে ৩ মার্চ যশোর কালেক্টরেট কার্যালয়ের সামনে শহরের রাজপথে বের হয় জঙ্গি মিছিল, যশোরবাসী শপথ নেয় স্বাধীনতা যুদ্ধের। এই মিছিলে হানাদার বাহিনী গুলি চালালে শহীদ হন চারুবালা কর। স্বাধীনতা সংগ্রামে তিনিই যশোরের প্রথম শহীদ। এরপর থেকেই যশোরে সংগঠিত হতে থাকে প্রতিরোধ। নেতৃত্ব দেয় সংগ্রাম পরিষদ। সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হতে থাকে ছাত্র, যুবক ও নারীদের। ২৬শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তদানীন্তন সংসদ সদস্য মশিয়ূর রহমানকে তার বাসভবন থেকে ধরে যশোর সেনানিবাসে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।আলোচনা অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা এবং উপস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন সিপিবি নেতা সাংবাদিক দেবুল কুমার দাস।

০৭ ডিসেম্বর ২০২২
ফেভিকন

বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি’র উদ্যোগে বেনাপোলে “যশোর মুক্তি দিবস উদযাপণ

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২ ৭৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি’র উদ্যোগে বেনাপোলে “যশোর মুক্তি দিবস উদযাপণ

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২

স্টাফ রিপোর্টার:-মহান মুক্তিযুদ্ধের গর্বিত দিন ৬ ডিসেম্বর “যশোর মুক্ত দিবস” এবং ভারত সরকার কর্তৃক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান এর অমর দিনের স্মরণে বেনাপোলে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক সংগঠন “বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি”( ন্যাপ) বেনাপোল ইউনিয়ন কমিটি এই সভার আয়োজন করে। এ ছাড়াও দলটির পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

মঙ্গলবার(৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৩ টায় যশোর জেলাধীন শার্শা উপজেলার বন্দর নগরী বেনাপোল বাজারস্থ চেয়ারম্যান মার্কেটের ২য় তলায় অবস্থিত “একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল” কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি(ন্যাপ)’র বেনাপোল ইউনিয়ন কমিটি’র সভাপতি তাপস কুমার দে।

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,আলতাফ চৌধুরী,সভাপতি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি( ন্যাপ),যশোর জেলা শাখা।

বিশেষ অতিথি বর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,ওহিদুল ইসলাম,সভাপতি,একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,নজরুল ইসলাম সহঃ সভাপতি,একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,সুমন হোসাইন সাধারণ সম্পাদক,একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,মোঃ সাইবুর রহমান সুমন (সাংগঠনিক সম্পাদক),মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মারুফ(অর্থ সম্পাদক),মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন(প্রচার সম্পাদক),মোঃ জমির হোসেন(ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক),মোঃ ইকবাল হোসেন(সহ: ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক),মোঃ মুরাদ হোসেন(সহঃ প্রচার সম্পাদক),
একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,দেবুল কুমার দাস,নির্বাহী সদস্য,বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টি(সিপিবি),শার্শা উপজেলা শাখা,শুকুর আলী সিনিয়র সহ: সভাপতি,বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিকলীগ,শার্শা উপজেলা কমিটি,আলী হোসেন সভাপতি,বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি(ন্যাপ),বেনাপোল পৌর শাখা, আব্দুর রহিম(কার্যকরী সদস্য),মোঃ রাব্বি খান(সদস্য) মোঃ সাহিদুল ইসলাম শাহীন(সদস্য),মোঃ জিল্লুর রহমান ডাবলু(সদস্য),মোঃ নজরুল ইসলাম(সদস্য),একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল।

সভাপতির স্বাগতিক বক্তব্য শেষে আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রধান ব্ক্তা-আলতাফ চৌধুরী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৬ ডিসেম্বর সর্বপ্রথম “যশোর মুক্তি দিবস” এর কথা তুলে ধরে বলেন, “১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়েছিল দেশের প্রাচীনতম এই জেলা শহর যশোর। এদিন দুপুরের পরপরই যশোর সেনানিবাস ছেড়ে পালিয়ে যায় হানাদারেরা, প্রথম শত্রুমুক্ত হয় যশোর জেলা। যশোরেই প্রথম উঠেছিল বিজয়ী বাংলাদেশের রক্ত সূর্যখচিত গাঁঢ় সবুজ পতাকা। ১৯৭১ সালের ৩, ৪ ও ৫ ডিসেম্বর যশোর অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়। এসময় মিত্রবাহিনীও সীমান্ত এলাকা থেকে যশোর সেনানিবাসসহ পাকিস্তানি সেনাদের বিভিন্ন স্থাপনায় বিমান হামলা ও গোলা নিক্ষেপ করে, একপর্যায়ে কোণঠাসা হয়ে পাকিস্তানিরা ৫ ডিসেম্বর থেকে পলায়ন শুরু করে, যশোর সেনানিবাস ছেড়ে তারা খুলনার গিলাতলা সেনানিবাসের দিকে পালিয়ে যেতে থাকে।

৬ ডিসেম্বর বিকালের দিকে যশোর সেনানিবাস খালি করে পালিয়ে যায় হানাদারেরা। পরে মিত্রবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল বারাতের নেতৃত্বে মিত্র ও মুক্তিবাহিনী যশোর সেনানিবাসে প্রবেশ করে দখল নেয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মুক্তির আনন্দে উচ্ছ্বসিত মুক্তিযোদ্ধা-জনতার ঢল নামে যশোর শহরে। পাড়া মহল্লায়ও চলে খণ্ড খণ্ড আনন্দ মিছিল, মুক্তির আনন্দে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানে ফেটে পড়ে গোটা জেলার মানুষ”।

উল্লেখ্য, উত্তাল ৭১’র যুদ্ধপ্রস্তুতিকালে ৩ মার্চ যশোর কালেক্টরেট কার্যালয়ের সামনে শহরের রাজপথে বের হয় জঙ্গি মিছিল, যশোরবাসী শপথ নেয় স্বাধীনতা যুদ্ধের। এই মিছিলে হানাদার বাহিনী গুলি চালালে শহীদ হন চারুবালা কর। স্বাধীনতা সংগ্রামে তিনিই যশোরের প্রথম শহীদ। এরপর থেকেই যশোরে সংগঠিত হতে থাকে প্রতিরোধ। নেতৃত্ব দেয় সংগ্রাম পরিষদ। সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হতে থাকে ছাত্র, যুবক ও নারীদের। ২৬শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তদানীন্তন সংসদ সদস্য মশিয়ূর রহমানকে তার বাসভবন থেকে ধরে যশোর সেনানিবাসে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

আলোচনা অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা এবং উপস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন সিপিবি নেতা সাংবাদিক দেবুল কুমার দাস।

ন্যাপ’র উদ্যোগে বেনাপোলে “যশোর মুক্তি দিবস উদযাপণমোঃ সাহিদুল ইসলাম শাহীন,স্টাফ রিপোর্টার:-মহান মুক্তিযুদ্ধের গর্বিত দিন ৬ ডিসেম্বর “যশোর মুক্ত দিবস” এবং ভারত সরকার কর্তৃক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান এর অমর দিনের স্মরণে বেনাপোলে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক সংগঠন “বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি”( ন্যাপ) বেনাপোল ইউনিয়ন কমিটি এই সভার আয়োজন করে। এ ছাড়াও দলটির পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।মঙ্গলবার(৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৩ টায় যশোর জেলাধীন শার্শা উপজেলার বন্দর নগরী বেনাপোল বাজারস্থ চেয়ারম্যান মার্কেটের ২য় তলায় অবস্থিত “একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল” কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি(ন্যাপ)’র বেনাপোল ইউনিয়ন কমিটি’র সভাপতি তাপস কুমার দে।প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,আলতাফ চৌধুরী,সভাপতি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি( ন্যাপ),যশোর জেলা শাখা।বিশেষ অতিথি বর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,ওহিদুল ইসলাম,সভাপতি,একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,নজরুল ইসলাম সহঃ সভাপতি,একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,সুমন হোসাইন সাধারণ সম্পাদক,একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,মোঃ সাইবুর রহমান সুমন (সাংগঠনিক সম্পাদক),মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মারুফ(অর্থ সম্পাদক),মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন(প্রচার সম্পাদক),মোঃ জমির হোসেন(ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক),মোঃ ইকবাল হোসেন(সহ: ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক),মোঃ মুরাদ হোসেন(সহঃ প্রচার সম্পাদক),একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল,দেবুল কুমার দাস,নির্বাহী সদস্য,বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টি(সিপিবি),শার্শা উপজেলা শাখা,শুকুর আলী সিনিয়র সহ: সভাপতি,বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিকলীগ,শার্শা উপজেলা কমিটি,আলী হোসেন সভাপতি,বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি(ন্যাপ),বেনাপোল পৌর শাখা, আব্দুর রহিম(কার্যকরী সদস্য),মোঃ রাব্বি খান(সদস্য) মোঃ সাহিদুল ইসলাম শাহীন(সদস্য),মোঃ জিল্লুর রহমান ডাবলু(সদস্য),মোঃ নজরুল ইসলাম(সদস্য),একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল।সভাপতির স্বাগতিক বক্তব্য শেষে আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রধান ব্ক্তা-আলতাফ চৌধুরী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৬ ডিসেম্বর সর্বপ্রথম “যশোর মুক্তি দিবস” এর কথা তুলে ধরে বলেন, “১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়েছিল দেশের প্রাচীনতম এই জেলা শহর যশোর। এদিন দুপুরের পরপরই যশোর সেনানিবাস ছেড়ে পালিয়ে যায় হানাদারেরা, প্রথম শত্রুমুক্ত হয় যশোর জেলা। যশোরেই প্রথম উঠেছিল বিজয়ী বাংলাদেশের রক্ত সূর্যখচিত গাঁঢ় সবুজ পতাকা। ১৯৭১ সালের ৩, ৪ ও ৫ ডিসেম্বর যশোর অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়। এসময় মিত্রবাহিনীও সীমান্ত এলাকা থেকে যশোর সেনানিবাসসহ পাকিস্তানি সেনাদের বিভিন্ন স্থাপনায় বিমান হামলা ও গোলা নিক্ষেপ করে, একপর্যায়ে কোণঠাসা হয়ে পাকিস্তানিরা ৫ ডিসেম্বর থেকে পলায়ন শুরু করে, যশোর সেনানিবাস ছেড়ে তারা খুলনার গিলাতলা সেনানিবাসের দিকে পালিয়ে যেতে থাকে।৬ ডিসেম্বর বিকালের দিকে যশোর সেনানিবাস খালি করে পালিয়ে যায় হানাদারেরা। পরে মিত্রবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল বারাতের নেতৃত্বে মিত্র ও মুক্তিবাহিনী যশোর সেনানিবাসে প্রবেশ করে দখল নেয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মুক্তির আনন্দে উচ্ছ্বসিত মুক্তিযোদ্ধা-জনতার ঢল নামে যশোর শহরে। পাড়া মহল্লায়ও চলে খণ্ড খণ্ড আনন্দ মিছিল, মুক্তির আনন্দে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানে ফেটে পড়ে গোটা জেলার মানুষ”।উল্লেখ্য, উত্তাল ৭১’র যুদ্ধপ্রস্তুতিকালে ৩ মার্চ যশোর কালেক্টরেট কার্যালয়ের সামনে শহরের রাজপথে বের হয় জঙ্গি মিছিল, যশোরবাসী শপথ নেয় স্বাধীনতা যুদ্ধের। এই মিছিলে হানাদার বাহিনী গুলি চালালে শহীদ হন চারুবালা কর। স্বাধীনতা সংগ্রামে তিনিই যশোরের প্রথম শহীদ। এরপর থেকেই যশোরে সংগঠিত হতে থাকে প্রতিরোধ। নেতৃত্ব দেয় সংগ্রাম পরিষদ। সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হতে থাকে ছাত্র, যুবক ও নারীদের। ২৬শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তদানীন্তন সংসদ সদস্য মশিয়ূর রহমানকে তার বাসভবন থেকে ধরে যশোর সেনানিবাসে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।আলোচনা অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা এবং উপস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন সিপিবি নেতা সাংবাদিক দেবুল কুমার দাস।

০৭ ডিসেম্বর ২০২২
ফেভিকন

বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি’র উদ্যোগে বেনাপোলে “যশোর মুক্তি দিবস উদযাপণ

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com