1. 0shamimreza@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  2. dhakasangbad22@gmail.com : ঢাকা সংবাদ : ঢাকা সংবাদ
  3. didar3639@gmail.com : Didarul Alam : Didarul Alam
  4. mdjubaerhossen614@gmail.com : নাটোর জেলা প্রতিনিধি : নাটোর জেলা প্রতিনিধি
  5. jannataraf10@gmail.com : Umme jannat : Umme jannat
  6. mdsahariyaridoy0@gmail.com : দৈনিক ঢাকা সংবাদ : দৈনিক ঢাকা সংবাদ
০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে হাড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল call বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সাথে বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডিএসইর ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকা থেকে বাদ ডোরিন পাওয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার খুলনা সফরে গেলেন তারেক রহমান Un-Audited Financial Statements Third Quarter (Q3) of Bangladesh General Insurance Company PLC মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার:প্রধানমন্ত্রী ইবনে সিনার ৭৭% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা গাইবান্ধায় বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা বাগাতিপাড়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ায় পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল

বাজার নিম্নমুখিতার মধ্যেও চাঙ্গা দুর্বল কোম্পানির শেয়ার

ডিএসই

ঢাকা সংবাদ এর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা সংবাদ প্রতিবেদনঃ সাম্প্রতিক সময়ে দেশের শেয়ারবাজারে বড় পতন দেখা গিয়েছে। যার প্রভাবে গত সপ্তাহে দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ও লেনদেনে বড় পতন হয়েছে। এ সময় অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দর কমেছে। তবে বাজার নিম্নমুখিতার মধ্যেও গত সপ্তাহে ব্যবসায়িক ও আর্থিক দিক থেকে দুর্বল অবস্থায় থাকা কোম্পানির শেয়ারের দরে উত্থান দেখা গিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৯১টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫৫টির। কমেছে ৩১৯টির। আর অপরিবর্তিত ছিল ১২টির। লেনদেন হয়নি ৫টির। সেই হিসাবে মোট সিকিউরিটিজের ৮০ শতাংশের বেশি দর হারিয়েছে। আর দর বেড়েছে মাত্র ১৪ শতাংশের। তবে দর বৃদ্ধির তালিকায় থাকা অধিকাংশই ব্যবসায়িক ও আর্থিক দিক থেকে দুর্বল অবস্থায় থাকা কোম্পানির শেয়ার।

ব্যবসায়িক ও আর্থিক দিক থেকে দুর্বল অবস্থায় থাকা কোম্পানির শেয়ার গত সপ্তাহে দর বৃদ্ধিতে এসব শেয়ারেরই আধিক্য ছিল। ডিএসইতে এ সময়ে মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ, জিল বাংলা সুগার মিলস, ইমাম বাটন ইন্ডাস্ট্রিজ, জুট স্পিনার্স, উসমানিয়া গ্লাস, ফারইস্ট লাইফ, মোজাফফর হোসেন স্পিনিংয়ের মতো শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমে যাওয়ার কারণে সূচকে বড় পতন হয়েছে। এর মধ্যে ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৪৩ পয়েন্ট বা ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ কমে ৬ হাজার ৬৯৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৬ হাজার ৮৩৯ পয়েন্টে। সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ব্র্যাক ব্যাংক, গ্রামীণফোন, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, বিকন ফার্মা, অলিম্পিক ও আইএফআইসির শেয়ার।

অন্য সূচকের মধ্যে ডিএসইর নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ সপ্তাহের ব্যবধানে ৫২ পয়েন্ট বা ২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ কমে ২ হাজার ৪৬৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ২ হাজার ৫১৫ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস প্রায় ৩৪ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ২৯ শতাংশ কমে ১ হাজার ৪৪২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১ হাজার ৪৭৬ পয়েন্টে।

গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইতে মোট ৩ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। যেখানে আগের সপ্তাহে লেনদেন ছিল ৩ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন কমেছে ২৪২ কোটি টাকা বা ৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইতে দৈনিক গড়ে ৭৪৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। যেখানে আগের সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ৯৯৭ কোটি টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে গড় লেনদেন কমেছে প্রায় ২৫ শতাংশ।

গত সপ্তাহে এক্সচেঞ্জটির খাতভিত্তিক লেনদেনে শীর্ষে ছিল বিবিধ খাত। ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ ছিল খাতটির দখলে। ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বস্ত্র খাত। ওষুধ ও রসায়ন খাত ১০ দশমিক ৫ শতাংশ নিয়ে লেনদেন তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। পরের অবস্থানে থাকা প্রকৌশল খাতের দখলে ছিল মোট লেনদেনের ৯ দশমিক ৩ শতাংশ। পঞ্চম স্থানে থাকা ব্যাংক খাতের লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৮ দশমিক ৬ শতাংশ।

সূচক ও লেনদেনের পাশাপাশি গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধনও কমেছে। সপ্তাহের শুরুতে এক্সচেঞ্জটির বাজার মূলধন ছিল ৫ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। সপ্তাহ শেষে যা কমে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকায়। সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ১১ হাজার ৯২৮ কোটি টাকা বা ২ দশমিক ১৭ শতাংশ।

দেশের আরেক পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গত সপ্তাহে লেনদেন শুরুর আগে বাজার মূলধন ছিল ৪ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। যা সপ্তাহজুড়ে লেনদেন শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬৭ হাজার কোটি টাকায়। সিএসইতে গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে মোট লেনদেন হয়েছে ১৩৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১২৩ কোটি ৯০ লাখ টাকার।

গত সপ্তাহে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২ শতাংশের বেশি কমে ১৯ হাজার ৫৭২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহে যা ছিল ১৯ হাজার ৯৯১ পয়েন্টে। আলোচ্য সময়ে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৪৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৪৭টির, কমেছে ২৮৬টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির।

দৈনিক ঢাকা সংবাদ.কম/এসআর

আরও পড়তে পারেন……

০৫ মার্চ ২০২২
ফেভিকন

বাজার নিম্নমুখিতার মধ্যেও চাঙ্গা দুর্বল কোম্পানির শেয়ার

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

  • আপডেট সময় : ১১:২১:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ মার্চ ২০২২ ৭৮ বার পড়া হয়েছে

বাজার নিম্নমুখিতার মধ্যেও চাঙ্গা দুর্বল কোম্পানির শেয়ার

আপডেট সময় : ১১:২১:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ মার্চ ২০২২

ঢাকা সংবাদ প্রতিবেদনঃ সাম্প্রতিক সময়ে দেশের শেয়ারবাজারে বড় পতন দেখা গিয়েছে। যার প্রভাবে গত সপ্তাহে দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ও লেনদেনে বড় পতন হয়েছে। এ সময় অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দর কমেছে। তবে বাজার নিম্নমুখিতার মধ্যেও গত সপ্তাহে ব্যবসায়িক ও আর্থিক দিক থেকে দুর্বল অবস্থায় থাকা কোম্পানির শেয়ারের দরে উত্থান দেখা গিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৯১টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫৫টির। কমেছে ৩১৯টির। আর অপরিবর্তিত ছিল ১২টির। লেনদেন হয়নি ৫টির। সেই হিসাবে মোট সিকিউরিটিজের ৮০ শতাংশের বেশি দর হারিয়েছে। আর দর বেড়েছে মাত্র ১৪ শতাংশের। তবে দর বৃদ্ধির তালিকায় থাকা অধিকাংশই ব্যবসায়িক ও আর্থিক দিক থেকে দুর্বল অবস্থায় থাকা কোম্পানির শেয়ার।

ব্যবসায়িক ও আর্থিক দিক থেকে দুর্বল অবস্থায় থাকা কোম্পানির শেয়ার গত সপ্তাহে দর বৃদ্ধিতে এসব শেয়ারেরই আধিক্য ছিল। ডিএসইতে এ সময়ে মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ, জিল বাংলা সুগার মিলস, ইমাম বাটন ইন্ডাস্ট্রিজ, জুট স্পিনার্স, উসমানিয়া গ্লাস, ফারইস্ট লাইফ, মোজাফফর হোসেন স্পিনিংয়ের মতো শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমে যাওয়ার কারণে সূচকে বড় পতন হয়েছে। এর মধ্যে ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৪৩ পয়েন্ট বা ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ কমে ৬ হাজার ৬৯৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৬ হাজার ৮৩৯ পয়েন্টে। সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ব্র্যাক ব্যাংক, গ্রামীণফোন, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, বিকন ফার্মা, অলিম্পিক ও আইএফআইসির শেয়ার।

অন্য সূচকের মধ্যে ডিএসইর নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ সপ্তাহের ব্যবধানে ৫২ পয়েন্ট বা ২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ কমে ২ হাজার ৪৬৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ২ হাজার ৫১৫ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস প্রায় ৩৪ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ২৯ শতাংশ কমে ১ হাজার ৪৪২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১ হাজার ৪৭৬ পয়েন্টে।

গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইতে মোট ৩ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। যেখানে আগের সপ্তাহে লেনদেন ছিল ৩ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন কমেছে ২৪২ কোটি টাকা বা ৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইতে দৈনিক গড়ে ৭৪৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। যেখানে আগের সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ৯৯৭ কোটি টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে গড় লেনদেন কমেছে প্রায় ২৫ শতাংশ।

গত সপ্তাহে এক্সচেঞ্জটির খাতভিত্তিক লেনদেনে শীর্ষে ছিল বিবিধ খাত। ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ ছিল খাতটির দখলে। ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বস্ত্র খাত। ওষুধ ও রসায়ন খাত ১০ দশমিক ৫ শতাংশ নিয়ে লেনদেন তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। পরের অবস্থানে থাকা প্রকৌশল খাতের দখলে ছিল মোট লেনদেনের ৯ দশমিক ৩ শতাংশ। পঞ্চম স্থানে থাকা ব্যাংক খাতের লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৮ দশমিক ৬ শতাংশ।

সূচক ও লেনদেনের পাশাপাশি গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধনও কমেছে। সপ্তাহের শুরুতে এক্সচেঞ্জটির বাজার মূলধন ছিল ৫ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। সপ্তাহ শেষে যা কমে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকায়। সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ১১ হাজার ৯২৮ কোটি টাকা বা ২ দশমিক ১৭ শতাংশ।

দেশের আরেক পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গত সপ্তাহে লেনদেন শুরুর আগে বাজার মূলধন ছিল ৪ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। যা সপ্তাহজুড়ে লেনদেন শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬৭ হাজার কোটি টাকায়। সিএসইতে গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে মোট লেনদেন হয়েছে ১৩৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১২৩ কোটি ৯০ লাখ টাকার।

গত সপ্তাহে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২ শতাংশের বেশি কমে ১৯ হাজার ৫৭২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহে যা ছিল ১৯ হাজার ৯৯১ পয়েন্টে। আলোচ্য সময়ে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৪৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৪৭টির, কমেছে ২৮৬টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির।

দৈনিক ঢাকা সংবাদ.কম/এসআর

আরও পড়তে পারেন……

০৫ মার্চ ২০২২
ফেভিকন

বাজার নিম্নমুখিতার মধ্যেও চাঙ্গা দুর্বল কোম্পানির শেয়ার

বিস্তারিত পড়ুন ›www.dailydhakasangbad.com